Wednesday, September 29, 2021

842>|| সম্পর্ক ||--+বাপ বেটির আদর

 


        842>|| সম্পর্ক ||

                   <--আদ্যনাথ-->

সম্পর্ক যদি ভাবনায় জুড়ে থাকে,

সেই সম্পর্কই চিরদিন টিকে থাকে।

স্বার্থের সম্পর্ক সর্বদা ক্ষনিকের,

কখনোই খোঁজ রাখেনা মনের।


স্বার্থের সম্পর্ক হারিয়ে যায়

স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে।

ভাবনার সম্পর্ক নমের গভীরে,

সর্বদা টিকে থাকে হৃদয় জুড়ে।

 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

========================


|| বাপ বেটির আদর  ||

বাঃ কি সুন্দর বাপ বেটির আদর।
বাপ দিচ্ছেন স্নেহ আদর  উজাড় করে হৃদয় দিয়ে ।
বেটি করছে গ্রহণ মন প্রাণ দিয়ে।
এমন স্বর্গীয় সুখের স্পর্শ যেন
ঈশ্বর নেমেএসেছেন সেই মহাকাশ থেকে,
বিলাইছেন স্নেহআদর   নিজ সন্তানেরে ।
অপূর্ব অপূর্ব এমন দৃশ্য দেখে
আনন্দ পূর্ণ মনপ্রাণ ভরে। 
সত্য বলবো একটু হিংসা,
লোভও জাগে মনে।
তাই আবার বলবো
অপূর্ব অপূর্ব দৃশ্য এমন।
জীবনে দেখলাম প্রথম।
মনচায় ছুটেগিয়ে একটিবার
প্রনাম করি এমন পিতারে।
সত্য এমন পিতাই জানেন
" স্নেহ অতি বিষম বস্তু"
যে স্নেহ বিলায়ে দিতে পারে,
সন্তানেরে অকাতরে আপনমনে।
এমন পিতার সন্তান ধন্য তুমি ।
||-----<--- আদ্যনাথ----> 
||===========================||

841>|| চ্যালেঞ্জ ||

 


   841>|| চ্যালেঞ্জ ||


জীবনের প্রতিটি দিন

এক একটি চ্যালেঞ্জের দিন।

আজকের চ্যালেঞ্জ 

গত কালের থেকে কঠিন।


এমনি করেই বেড়ে চলা

রোজের অভিজ্ঞতা।

এমন  চ্যালেঞ্জ জেতাই

জীবনের স্বার্থকতা।


চ্যালেঞ্জ জেতার অর্থ

নিজেকে খুঁজে পাওয়া।

শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের প্রতিদ্বন্দ্বিতায়

নিজেকে প্রীতিষ্ঠিত করতে পারা।

          <--আদ্যনাথ-->

840>|| জলের জ্বালা ||

 840>|| জলের জ্বালা ||


গত 15 দিন পরে 

দেখা দিয়েছিল একটু সুখ,

রবি,সোম, মঙ্গল,তিনদিন

ছিলোনা রাস্থায় জল।

মঙ্গলবার রাতভর হোল বৃষ্টি,

তাই আবার শুরু সেই জল জমা।

ভোর সাড়ে চারটার 

ভোরেগিয়েছিল সব নিকাশি নালা।

এখন সততা চল্লিশ 

শুরু রাস্থায় জল জমা।

এখন অবশ্য পায়ের পাতা ভেজার মতন জমেছে জল।

তবে ঝির ঝির বৃষ্টি চলছে,

রাস্তার জলও ধীরে ধীরে বাড়ছে।

উপচে পরে নিকাশি নালা

আবার শুরু হলো জলের জ্বালা।

6মাস আগে রাস্থা খুঁড়ে

পাইপ বসিয়েছে রাস্তার গভীরে।

সেই থেকেই ভঙ্কর বিপদ 

এই রাস্থায় পথ চলা।

তার উপরে বার বার 

একটু বৃষ্টিতেই

এই জলের জ্বালা।

  29/09/2021;; সকাল 07:50am

=======================






Thursday, September 23, 2021

839>|| প্রবল বর্ষায় ||--(1)sept 2021

839>|| প্রবল বর্ষায় ||--(1)sept 2021

      <--আদ্যনাথ-->

সকলেই চায় থাকি সাবধান,

কিকরে থাকবো সাবধান।

চলছে এমন বৃষ্টির বাড়ন্ত বার

চারিদিকে জলে জলাকার,

বুড়ো বুড়ি ঘরে বসে হাঁহাকার।

নাই কোন খাবার জোগাড়

কাকে বলবো 

কে করবে সামান্য উপকার,

এমনি করেই চলছে বার বার।

চার মাস ধরে ডুবছি বার বার,

যতবার ভাবি স্বস্তি বুঝি এইবার,

তারপরেই ঝাঁপিয়ে বৃষ্টি আবার।

অর্ধ সত্য জেনো লিখলাম এবার

দুঃখের মাঝেও একটু হাসি দরকার।

ভেবোনা আমরা অসহায়,

কাছে নাহোক fb এতে আছে সবার।

তোমরা সকলে থেকো সজাগ এবার

এই টুকুই আমাদের একান্ত দরকার।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

       21/09/2021;;11:00am

===========================


    (2)

আজকের মেনু ছিল

খিচুড়ি আর বাংলাদেশের ইলিশ,

খাওয়াটা জমেছিল বেশ।

সারাদিন বর্ষার জল মাপছি,

ঘরবন্দী হয়ে আকাশ কুসুম ভাবছি।

বাইরে মুসলধারায় ঝরছে বৃষ্টি,

দেখছি আর ভাবছি প্রকৃতির অনাসৃষ্টি।

আশ্বিনের শুরুতেও ঝরছে

অঝোর ধারায়,

আধা কোলকাতা শহর জলের তলায়।

শহর গ্রাম অস্থির প্রকৃতির খামখেয়ালিতে,

বাজার হাট সকলি জলের তলাতে।

সকলে দিশেহারা করোনা ভাইরাসে,

তার উপরে পথ ঘাট থৈ থৈ  বৃষ্টির জলে।

আসছে পুজো নাচছে মন,

ঘরে বন্ধি থাকতে চায় কি মন।

খিচুড়ির গ্রাসে গ্রাসে কত ভাবনা জাগে,

অশনি সংকেতে মন গভীরে ভাবে।

উপায় তো নাই প্রকৃতির খেলা,

এমনি করেই বাঁচতে হবে দুই বেলা।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

       21/09/2021;;11:14pm

========================

    (3)

বার বার মেপে দেখছি 

জল একটু একটু নামছে।

তাতে আর কি হবে,


জল নামছে আবার উপরে দেখছি 

বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, 

আকাশ কালো হয়ে আছে।

খবরে আরও তিনদিন বৃষ্টির ভবিষ্যদ্বাণী

 দিচ্ছে।

আমিও সেই ভয়েই ভীত হয়ে দিন গুনছি।

আর তো কিছু নয় এই 

ফ্রিজতটা নিয়েই ভাবনা।

আর একটুও জল উঠলেই ঘরে জল ঢুকবে।

তখন ফ্রিজ টা কি করে তুলবো উপরে।

হঠাৎ শুভ খবর হলো।

সবিতা উঠোন থেকে মাছ ধরলো।

এবার আর কিসের চিন্তা।

মৎস মারিব খাইব সুখে।

আমরা আছি দুজনে,

মাছ খাবো আনন্দে।

ভেসে যাই যাক অলিন্দে,

মাছ ধরিব সুখে।

===================

        (4)


দীর্ঘ দিন হলো 

ভাসছি জলে

জানিনা কবে মুক্তি 

কিভাবে হবে।


বর্ষার শুরুতেই

এক্সকাভেটর দিয়ে রাস্থা খুঁড়ে

পাইপ বসিয়েছে এলাকা জুড়ে

বিশাল পাইপ রাস্থা খুঁড়ে গভীরে।


সেই রাস্থায় বহুদিন জলজমে,

মানুষের দুরবস্থা বাড়ছে ক্রমে।

কে করবে সুরাহা কী ভাবে

সেই ভাবনাই ভাবাচ্ছে বারে বারে।


জানিনা কবে হবে মুক্তি 

আবহাওয়া দেখাচ্ছে ভ্রুকুটি,

আবার আসছে ঝঞ্ঝা বুঝি

ভীত সন্ত্রস্ত এবার বুঝি প্রাণের ঝুঁকি।


এখন হাসবো, নাকি ভাববো

নাকি অশনি সঙ্কেতের চিন্তা করবো,

কিভাবে কবে এই বিপদের মুক্তি

ভেবেও পাইনা কোন যুক্তি।


পথ ঘাটের করুন দশা

বৃষ্টির জল দিচ্ছে সাজা।

বেঁচে থাকার কী আছে উপায়,

দিনরাত সেই ভাবনা ভাবায়।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

  23/09/2021;;12:02 দুপুর

=======================


Thursday, September 16, 2021

838>|| চাওয়া পাওয়া ||

   838>|| চাওয়া পাওয়া ||

          <---আদ্যনাথ-->

বৃদ্ধ বয়সে,অবসর সময়ে,

মাছ ধরা, জাল বাওয়া, 

মনের এক অদ্ভুত প্রেরণা।

আবার ভরা ভদ্রে

নিম্নচাপ হলে সমুদ্রে,

অতিষ্ঠ জীবন অতি বৃষ্টিতে।

জলে থৈ থৈ একাকার,

পথ ঘাট পুকুর ডোবা নদী নালা,

যখন জলে ভেসে যায়

চারিদিকে জল আর জল।

 

বন্যার জলে ভাসমান সব একাকার,

ঘর দোর, খেত খতিয়ান,

তখন নৌকা বাওয়া যেন

যৌবনকে খুঁজে পাওয়া,

ফেলেআস দিনগুলিকে ফিরে পাওয়া।

পুরনোকে নুতন উদ্যমে খুঁজে নেওয়া, একটু নুতন করে আদর পাওয়া।

নূতনের গন্ধে মনের ক্লান্তি দূর করা,

একটু জিরিয়ে নেওয়া।

দুটো মনের কথা বলা,

একটু ভালো লাগা।

একটু জড়িয়ে ধরা,

নুতন কিছু খুঁজে পাওয়া।

মনের গভীরে হারিয়ে যাওয়া,

আরো গভীরে যেন মুক্ত খুঁজে পাওয়া।

এ পাওয়া সীমা হীন পাওয়া,

মন প্রাণ ভরে পাওয়া।

শুধুই খুঁজে পাওয়া,

প্রতিটি মুহূর্ত খুঁজে পাওয়া।

প্রতিটি নিঃস্বাস কে আপন করে পাওয়া,

এ পাওয়া মনের চাওয়া পাওয়া।

একটু ঘামে ভিজে যাওয়া,

শরীরের গন্ধে নুতন নেশা ধরা,

পুরনো স্মৃতি কে জাগিয়ে তোলা।

মনের আনন্দকে খুঁজে পাওয়া,

এটাইতো শ্রেষ্ঠ পাওয়া।

বাসনার তৃপ্তি হওয়া।

স্বপ্নে ভিভোর হওয়া।

অবসর বয়সে আর বেশিকি চাওয়া।

না চাইতেই যা পাওয়াজায়,

সেটাইতো প্রকৃত পাওয়া।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

      15/09/2021;;01:20:pm

==========================

আপনি বললেন

তাই যা কিছু লিখলাম।

========================

শঙ্কর দাম::-

দারুন দারুন দারুন । 👏👏👏

=========================

ছোট গিন্নি::--

Bah..etateo likhe fellen👌🤓

Apnar haathe✋jaadu ache👌👌

=====================


Tuesday, September 14, 2021

837>|| success +| আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন ||

    

837>|| success +| আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন ||


    >|| success ||

           <---আদ্যনাথ-->

  Success এক অলীক স্বপ্নের নাম

  success  এক না দেখা ভূতের নাম,

  success  এক না পাওয়া দুঃখের নাম

  success  এক বামুনের চাঁদ ধরার নাম,

 

আসলে success কি, কোথায়, কিসে,

কেমনে পাওয়া যায় কেউ জানেনা,

 success  এর শেষ কোথায় তাও কেউ জানেনা।

তবুও success  এর জন্য হাঁহাকার করে যায়।

Success এর পিছনে ছুটেই জীবন যায়।

এক পথের ভিখারিও success হতে চায়,

এক আরব পতি ও ছোটে success এর নেশায়।


আসলে success  নামের ভূত শুধুই দৌড় করায়।

শেষে এই success এক গভীর গাড্ডার

সামনে এনে দাঁড় করায়।

যেখান থেকে ফেরবার উপায় থাকেনা আর।

শেষে ওই success  রুপি গাড্ডায় জীবনের হাঁহাকার আর বেদনা নিয়ে

চির দিনের জন্য ঘুমায়।

এভাবেই বোধ হয় success খুঁজে পায়।

  <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

===========================


     || আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন ||

            <--আদ্যনাথ-->


এক দম্পতির সুন্দর ফর্সা এক সন্তানের জন্ম দিয়ে ভাবনা Success এর।

 শিশুটি হাঁটতে শিখলো 

 দম্পতি উভয়ে হাসলো

  নামের ভাবনা Success হলো।

 শিশুটি কথা বলতে শুরু করলো

দম্পতির ভাবনা Success হলো,


  শিশুটি ইংলিশ মিডিয়ামে চান্স পেল

   দম্পতির মনে ভীষণ আনন্দ পেল

   তাদের ভাবনা Success হলো।


 স্কুলে তোতা পাখির মতন ইংরেজি শিখলো,পরীক্ষায় A+ পেল।

 বাবামা এর ভাবনা Success হলো।


এবার সন্তানের মাথায় Success এর 

ভূত বাসা বাঁধলো।

সন্তানকে ভাবতে শিখতে হলো

মাধ্যমিকে স্টার পেলেই success হবে।


তার পরে উচ্চমাধ্যমিকে এমনি করেই 

 Success হতেই হবে।

 

তারপরে আবার নুতন উদ্যমে

 ভাবা শুরু হয়ে গেল নুতন ভাবে।

ভালো সাবজেক্ট নিয়ে ভালো কোনো জায়গায় চান্স পাওয়াটাই success হবে, 


যেটা পড়লে একটা ভালো চাকরি 

পাওয়া যাবে।

আর  অনেক রোজগার করাটাই success হবে।

তারপরে একটি  বাড়ি করতে পারলেই success হবে। 


এরপরে  গাড়ি কেনাটাই আসল 

success হবে।

এর পরে স্বপ্ন দেখা শুরু বিয়ে করে 

সুখে সংসার করাটাই আসল success হবে।

স্বপ্ন সত্যি করতে দিল্লিকা লাড্ডু খাওয়া,

অর্থাৎ বিয়ে করা তেই success হবে।


বিয়ের পরে বছর ঘুরতে না ঘুরতে

বংশধর এবার success হবে।

এইবার আবার সেই পুনঃ মুশিকঃ ভবঃ।


আবার সেই Success এর দৌড়।


সাথে সেই  রিটায়ারমেন্ট এর জীবন।

সারা জীবনের জমানো টাকার সঠিক investment করে utilization করতে পারাই success হবে।

তারপরে মৃত্যু শয্যায় শুয়ে ভাবতে হচ্ছে

সত্যি Success বলে কোন কিছুর কুল কিনারা নাই।


আছে শুধু আকাশ ছোঁয়া অলীক স্বপ্নের ভাবনা যে ভাবনা আকাঙ্খা, যা কখনো পূর্ণ হয় না।

সেই কারণেই Success এক অলীক 

ভূতের ভাবনা।

Success এর পেছনে দৌড়ে আযথায়

প্রাণ যায়।

 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================




Sunday, September 12, 2021

836>|| বিচিত্র এই প্রকৃতি

   

 836>|| বিচিত্র এই প্রকৃতি ||

               <--আদ্যনাথ-->


প্রকৃতি আমাদের অনেক শিক্ষা দেয়,

কতো গাছ শীতে সব পাতা ঝড়ে যায়,

কিন্তু শীতের পরেই আবার 

নুতন করে নুতন কিশলয় নিয়ে বাঁচে।


কতো পশু পাখির কতো পরিবর্তন হয়।

শিশু কালে মানুষের দুধের দাঁত পরে যায়

আবার নুতন দাঁত জন্মায়।


কতো প্রাণী কীট পতঙ্গ আছে

সময় অনুসারে নানান বিবর্তনের পরে

পূর্ণাঙ্গ জীবন পায়।


পাখিদের মধ্যে খুঁজে পাই---

  ঈগল পাখির জীবন কাহিনী,

 ঈগল পাখি প্রায় ৭০ বছর বাঁচে। 

কিন্তু তার 40 বছর বয়সেই

তাকে লড়তে হয় ভীষণ সংগ্রাম 

সে সংগ্রাম নিজের সাথে সংগ্রাম,

সে সংগ্রাম নিজে বাঁচার সংগ্রাম,

প্রায় 4 মাস ধরে চলতে থাকে তার

নুতন  জীবন ফিরে পাবার সংগ্রাম।

সে এক অক্লান্ত জীবন মরনের প্রচেষ্টা।

কিছু ঈগল এমন অবস্থায় মারা যায়।

কিছু ঈগল অনাহারে জল পর্যন্ত না খেয়ে--

চালিয়ে যায় বাঁচার জন্য তার সংগ্রাম,

নূতন করে বাঁচবার সেই অপূর্ব সংগ্রাম।


তারপরে প্রায় 120 দিনের সংগ্রামে

কঠোর কৃচ্ছ সাধনের সেই সংগ্রামে,

ঈগল নুতন জীবন নিয়ে নুতন করে 

আরও 30 বৎসর বাঁচে।


শুধু বেঁচে থাকা নয় দাপিয়ে বেড়ায় 

নুতন ঠোঁট, নখ, নুতন ডানা নিয়ে

সমগ্র আকাশ, বন, জঙ্গল,

শহর ময় গ্রাম অঞ্চল।


মনুষ্যমন বুদ্ধিশুদ্ধি চেতনাময়,

তবুও মানুষ কেন ভোগে হতাশায়।

প্রকৃতি তো নিত্য দিন শেখায়,

নানান রূপে সদা সন্মুখে দেখায়।


প্রকৃতি চলে নিজের গতিতে,

প্রকৃতির সাথে চলতে হয় মানিয়ে নিয়ে।

যে সয় সেই রয় বাকিরা হারিয়ে যায়,

মানুষকেও মানিয়ে নিয়ে বাঁচতে হয়। 

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

        12/09/2021;;09:00 pm

=========================


835>|| সত্যি অবাক কান্ড ;;--||

  835>|| সত্যি অবাক কান্ড ;;--||

রসগোল্লার ইংরেজি নাম খুঁজতে গিয়ে

ভীষণ ব্যাপার, অবাক কান্ডই বটে,

যখন জানলাম ইংরেজিতে রসগোল্লাকে সিরাপ ফিল্ড রোল (Syrup Filled Roll) বলা হয়। 

তবে রসগোল্লাকে গুগলে Rasgulla-ই বলে। কিন্তু এর সঠিক নাম সিরাপ ফিল্ড রোল।

           <--আদ্যনাথ-->

==========================



  || সনাতন ধর্মে বার মাস ||

             <--আদ্যনাথ-->

যেমন খুঁজে পেয়েছিলাম,

রসগোল্লার ইংরেজি নাম।

তেমনি খুঁজে পেলাম 

সনাতন ধর্মের বার মাসের নাম::-

১,মধুসুধন বৈশাখ। 

২,ত্রিবিত্রুম জ্যৈষ্ঠ।

৩,পুরুযোত্তম আষাঢ়।

৪,শ্রীধর শ্রাবণ।

৫,হৃষীকেশ ভাদ্র। 

৬,পদ্মনাভ আশ্বিন।

৭,দামোদর কার্তিক।

৮,কেশব অগ্রহায়ন।

৯,নারায়ন পৌষ। 

১০, মাধব মাঘ।

১১, গোবিন্দ ফাল্গুন।

১২, বিষ্ণু চৈত্র। 

তাইতো ভাবি আমি যতো জানি

তার থেকে হাজার গুণ না জানি।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================


834>|| বার্ধক্য সত্য ||

 


   834>|| বার্ধক্য সত্য ||

             <--আদ্যনাথ-->

বৃদ্ধ কালে উপস্থিত বুদ্ধির অভাবে,

দুঃখ পেতেহয় কারনে অকারণে।

এ ছাড়া উপায় তো কিছুই নাই, 

সকল কিছু সহ্য করতেই হয়।


বৃদ্ধ বয়স আর নানান রোগ ভোগ,

রাখা কি যায়  সকলের মনের খোঁজ?

স্মৃতি গুলি কেমন যেন গুলিয়ে যায়

অনেক কিছুই মন থেকে হারিয়ে যায়।


তবুও সারাদিন নানা কথা শুনতে হয়,

নিজের অক্ষমতা নিজেকেই বুঝতে হয়।

হেঁটে চলে বেড়াবার উপায় কোথায়,

করোনার কারনে গৃহ বন্ধি অযথায়।


কতো ভাবনা ছিল যৌবন কালে,

খুব মজা আর আরাম বুঝি বৃদ্ধকালে।

সারাদিন অলস অবসর কর্ম হীন,

আজ বুজেছি বার্ধক্য কতো কঠিন।


সবইতো আছে বুঝি না অভাব কোথায়, 

তবুও অভাব বোধ কুঁড়ে কুড়ে খায়।

বার্ধক্যই বুঝি আজ সীমাহীন অপরাধ,

বার্ধক্যে নীরব থাকাই সুস্থ সমাধান।


সত্তরের পরে জীবনকে বার্ধক্য বলে,

বার্ধক্য জীবন আত্ম বিশ্বাসের বলে।

বার্ধক্যই জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় সত্য,

বার্ধক্যই শেখায় সংসার সদা অনিত্য।

  <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

      11/09/2021;; 09:10:00 pm

=========================

 Shankar Dam:--

দারুন দারুন দারুন বার্ধক্য ।👏👏

=======================

Choto bowdi::--

Kotha gulo khub ee satti

======================


Tuesday, September 7, 2021

833> || जीबन ||

    833> || जीबन ||

         <---आद्यनाथ--->

जीवन कभी भी निर्बाध नहीं होता है।

बाधाएं जीवन में अपरिहार्य हैं।

बाधाओं को दूर करने के लिए चाहिए

 साहस,आत्मनिर्भर बनने की तीव्र इच्छा,

और एक बड़े उद्देश्य के लिए जीने की दृढ़ प्रतिबद्धता। 


 वास्तविक बलवान वही हैं,

    जिसने जानते हैं 

    अपनी जीवन को

 उत्तम क्रम में रखने की तरीका,

     आंसुओं से भी,

    वह कह सकता है, 

       "मैं ठीक हूँ",

एक प्यारी सी मुस्कान के साथ।

       <---आद्यनाथ-->

==========================






  


Sunday, September 5, 2021

832>|| হাসির কথা + হাসির হাড়ি ||

 832>|| হাসির কথা + হাসির হাড়ি ||



  || হাসির কথা ||

           <--আদ্যনাথ-->


      হাসি শুধু হাসি,

     হাসতে ভালবাসি,

 হাসিই জীবন, হাসি ই সব,

 হাসিই জীবনের আনন্দউৎসব।

    হাসিতেই ভালোথাকা,

    হাসিতেই কথা বলা,

    হাসিটি মাখিয়ে ঠোঁটে

    সারাদিন আনন্দে কাটে।

    হাসির থেকে সুন্দর 

    আর কিছুনাই জগতে,

   হাসির থেকে আনন্দের

   আর কিছুনাই সুন্দরের।

        <--আদ্যনাথ-->


=======================    


    ||  হাসির হাড়ি ||

               <--আদ্যনাথ-->

   হাসির বুড়ি হাসবে বলে 

  বসে ছিলো জানালা খুলে,

 হাসতে গিয়েও হাসতে মানা

 আসল কিছু নাই যে জানা।


অনেক ভেবে শেষের আগে

সবাই খুশি চাঁদকে দেখে।

চাঁদের বুড়ি হাসির বুড়ি,

হাসির হাড়ি সব গেছে চুরি।


অনেক ভেবে শেষের আগে,

কেউ বুঝি হাসির বুড়িকে খোঁজে।

পড়শীরা সব  হাসির হাড়ি চাঁছে,

কাছের মানুষ সব পালিয়ে গেছে।


চাঁদ দেখেজা চাঁদ দেখেজা 

চাঁদের ভাবনা কেউ ভাবেনা।

চাঁদকে নিয়েই অধিক ভাবনা,

হাসতে গেলেই ওই হাড়ির ভাবনা।


  চাঁদের বুড়ি হারিয়ে  চড়কা

  এখন শুধু বায়ু দূষণের ভাবনা।

  আকাশ বাতাস ভরেছে দূষণ,

  কেমনে বাঁচবে ভবিষৎ জীবন।

 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================

      

Saturday, September 4, 2021

831>|| আরাধ্য শ্রেষ্ঠ ডন ||

 


  831>|| আরাধ্য শ্রেষ্ঠ ডন ||

          <--আদ্যনাথ-->

আমাদের আরাধ্য শ্রেষ্ঠ ডন----

সেই আদি কাল থেকে এখন পর্যন্ত শ্ৰেষ্ঠ ডন একজন ।

এমন কোন পাপ কার্য নাই যা তিনি করেননি।

জেলের মধ্যে হয়েছে জন্ম যার,

মা বাবার হয়েছে অদল বদল।

এমন অঘটন ঘটেছে কোন কালে কার।

তথাপি তিনি শ্রেষ্ঠ সকলের মান্য বড়।


শিশু কাল থেকেই প্রেম, বিলাসিতা,

মেয়েদের করতো উৎপাত।

যৌবনে মেয়েদের ছের খানি,এমনকি পর নারীর সাথে ঘনিষ্ঠ প্রেম।

নাগ দেবতাকে দিয়েছে দন্ড,

করে খন্ড খন্ড।

পথে ঘাটে পাথর মেরে মেয়েদের করতো 

উৎপাত,

পাথর মেরে মেয়েদের জল ও দধির হাঁড়ি ভাঙতো।

গ্রামের ঘরে ঘরে মাখন চুরি করতো।

কতো মেয়ে যে ছিল তার প্রেমিকা তাঁর অন্ত নাই।

স্ত্রী ছিল দুজন।

তথাপি নিজের মামাকে করেছেন মার্ডার।

মথুরায় ছিল নিবাস।

তথাপি কোনদিন ধরা পড়েন নি।

কোন শাস্তিই পান নি।

উল্টে অন্যকে দিতেন শাস্তি।

কতজে করেছে অন্যায় , তার কোন হিসাব নিকাশ নাই।

এত কিছু করেও কোনদিন 

কোন দন্ড ভোগেন নি।

আর এই কারনেই তিন শ্রেষ্ঠ ডন,

সবার আরাধ্য হন।

আজকে তাঁরই জন্মদিন ।

তাই চলছে ধুম ধাম।

তিনি শ্রীকৃষ্ণ,

আমাদের সকলের আরাধ্য শ্রীকৃষ্ণ।

জয় শ্রীকৃষ্ণ। জয় শ্রীকৃষ্ণ। জয় শ্রীকৃষ্ণ ।

জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে সকলকে জানাই 

আমার ভালোবাসা ও মনস্কার।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

--------------anrc------------------


●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●

এবারে আরও কিছু বলবো

সংক্ষেপে অনেক কিছু বলবো।


শ্রী কৃষ্ণের জীবনী সংক্ষেপে;

প্রতিটি ঘটনা মানতে হবে মেপে বুঝে।


Collection & Compilation of

Excellent information about Bhagwan Shri Krishna.


●1> Sri Krishna was born 

               5252years  ago.

                

●2> Date of Birth of Sri Krisha : -

                       Shravan.


●4> Day :  Ashtami.


●5> Nakshatra : Rohini.


●6> Day : Wednesday.


●7> Time : 00:00 A.M.


●8> Shri Krishna lived 

   125 years,08 months 07 days.


●9> Date of Death : 

          18th February 3102BC.


●10> When Krishna was 89 years old ; the mega war (Kurukshetra war) took place. 


●11> He died 36 years after the Kurukshetra war.


●12> Kurukshetra War was started on Mrigashira Shukla Ekadashi, BC 3139. i.e 8th December 3139BC

and ended on 25th December, 

3139BC.


●13> There was a Solar eclipse between 3p.m to 5p.m on 21st December, 3139BC ; cause of Jayadrath's death.

●14> Bhishma died on 2nd February,(First Ekadasi of the Uttarayana), in 3138 B.C.


●15> Krishna  is worshipped as:

(a)KrishnaKanhaiyya at In Mathura.

(b) Jagannath:-at In Odisha.

(c) Vithoba:- In Maharashtra.

(d) Srinath :  In Rajasthan.

(e) Dwarakadheesh: In Gujarat.

(f) Ranchhod: In Gujarat.

(g) Krishna : Udupi in Karnataka.

h) Guruvayurappan in Kerala.


●16> Bilological Father

               Vasudeva.


●17> Biological Mother: Devaki.


●17> Adopted Father:- Nanda.


●18> Adopted Mother: Yashoda.


●19> Elder Brother: Balaram.


●20> Sister: Subhadra.


●21> Birth Place: Mathura.


●22> Wives: Rukmini, Satyabhama, Jambavati, Kalindi, Mitravinda, Nagnajiti, Bhadra, Lakshmana.


●23> Krishna is reported to have Killed only 4 people in his life time. 

(i) Chanoora ; the Wrestler.

(ii) Kansa ; his maternal uncle.

(iii) & (iv) Shishupaala and Dantavakra ; his cousins. 


●24> Life was not fair to him at all. His mother was from Ugra clan, and Father  from Yadava clan,inter-racial marriage. 


●25> He was born dark skinned.

He was not named at all throughout his life. The whole village of Gokul started calling him the black one ; Kanha. He was ridiculed and teased for being black, short and adopted too. His childhood was wrought with life threatening situations.


●26>'Drought' and "threat of wild wolves" made them shift from 'Gokul' to 'Vrindavan' at the age 9.


●27> He stayed in Vrindavan till 10 years and 8 months. He killed his own uncle at the age of  10 years and 8 months at Mathura.He then released  his biological mother and father. 


●28> He never returned to Vrindavan ever again.


●29> He had to migrate to Dwaraka from Mathura due to threat of a 

Sindhu King ;  Kala Yaavana.


●30> He defeated 'Jarasandha' with the help of 'Vainatheya' Tribes on Gomantaka hill (now Goa).


●31> He rebuilt Dwaraka


●32> He then left to Sandipani's Ashram in Ujjain to start his schooling at age 16~18. 


●33> He had to fight the pirates from Afrika and rescue his teachers son ;  Punardatta;  who was kidnapped near Prabhasa ; a sea port in Gujarat. 


●34> After his education, he came to know about his cousins fate of Vanvas. He came to their rescue in ''Wax house'' and later his cousins got married to Draupadi. His role was immense in this saga. 


●35> Then, he helped his cousins  establish Indraprastha and their Kingdom.


●36> He saved Draupadi from embarrassment.


●37> He stood by his cousins during their exile.


●38> He stood by them and made them win the Kurushetra war.


●39> He saw his cherished city, Dwaraka washed away.


●40> He was killed by a hunter (Jara by name)in nearby forest. 


●41> He never did any miracles. His life was not a successful one. There was not a single moment when he was at peace throughout his life. At every turn, he had challenges and even more bigger challenges. 


●42> He faced everything and everyone with a sense of responsibility and yet remained unattached.


●43> He is the only person, who knew the past and future ; yet he lived at that present moment always.


●44> He and his life is truly an example for every human being.

This teaches us that even gods had to face troubles & setbacks. So as humans let us not get dejected in life but face the challenges boldly by seeking solace in the lord •

 Jai  Shri Krishna

     ( Collection & Compilation)

=============================





Friday, September 3, 2021

830>|| নাজেহাল দশা ||

 


 830>|| নাজেহাল দশা ||

            <---আদ্যনাথ--->


একাত্তর পার করে এই বন্ধি দশা,

চার দেয়ালে ঘেরা সকল আশা।

করোনার প্রভাবে নাজেহাল হয়ে,

এখন বেঁচে থাকা এই বদ্ধ ঘরে।


কি হবে আর ভবিষ্যৎ ভেবে,

সবকিছুই আজ রইবে পড়ে।

আর কি হবে নিজের জন্য ভেবে,

ভাবনা শেষের তরীটি আসবে কবে।


স্বপ্ন দেখা হয়েছে বন্ধ

আর নাই মনে কোন দ্বন্ধ।

পুরনো স্মৃতি ঘিরেই আনন্দ

বুঝলাম না বর্তমানের ছন্দ।


সেদিন কি আর ভেবে ছিলাম

শয়ে শয়ে মানুষ ঘরবন্দী হবে।

শহর গুলি প্রাণহীন মৃত্যুপুরী হবে,

রাস্তা-ঘাট জনশূন্য হয়ে যাবে।


 বন্ধ হয়ে যাবে স্কুল-কলেজ-

 বন্ধ হবে দোকানপাট রেস্টুরেন্ট

 বন্ধ হবে সব খেলাধূলা-

 বন্ধ হয়ে যাবে দেশের সীমানা।


সেই অলীক স্বপ্নই সত্য হল আজ

চাকুরী খুইয়ে বেকার হাজার হাজার।

আজ মানুষ মানুষকে এড়িয়ে চলছে,

করোনা রুপি অদৃশ্য শত্রুর আতঙ্কে।


ইতিহাস দেখেনি কখনো এমন ঘটনা

মানবসভ্যতার ইতিহাসে একটানা,

এত বেশি সংখ্যাক মানুষ একই সময়ে, হয়েছে গৃহ বন্ধি একটানা, 


দীর্ঘকাল এমন ঘর বন্দী অবস্থা

পাল্টে গেছে এই শতাব্দীর বিশ্বব্যবস্থা।

একবিংশ শতাব্দীর এই নাজেহাল দশা,

 পাল্টে গেছে সকল ভবিষ্যতের আশা।


 সত্যই পৃথিবী আর আগের মতো নেই। 

এই করোনার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।

পাল্টে দিয়েছে সকল কিছু এই মহামারি,

জীবন-ভ্রমন-বিনোদন সকল কারিগরি।


পাল্টে গেছে  ব্যবসা-বাণিজ্য-অর্থনীতি

-রাষ্ট্র-সমাজ সবকিছু।

এই করোনার পরবর্তী সমাজ 

বোধ হয় হবে আরও ভয়ঙ্কর কিছু।


একাত্তর পার করে বন্ধি দশাকালে 

ভাবনা গুলিই ভয়ঙ্কর নানা ছলে।

আসছে শরৎ বাজবে পুজোর ঢাক

আবার হবে বাড়ন্ত করোনার প্রভাব।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

    02/09/2021;; 04:15:15 pm.

==========================

Wednesday, September 1, 2021

829>|| ভালো থাকা ||

     829>|| ভালো থাকা ||

                <--আদ্যনাথ-->

 পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভালোবাসা

  বাবা মা এর ভালোবাসা।

  বাবা মা কে অবজ্ঞা করা

  অর্থ নিজের সর্বনাশ করা।

  সন্তান ও মাতা পিতার সম্পর্ক

  সর্বদা স্বর্গীয়, স্নেহ পূর্ন নিঃশর্ত।


 বাবা-মাকে অবজ্ঞা করে যে

 নরক যন্ত্রণা ভোগ করে সে।

 সংসারে দুঃখ কষ্ট ঘেরে যখন,

 মা বাবাই আপন জন তখন।

 ওরে ওরে অবুঝ সন্তান,

 ভুলিশনা মা বাবার অবদান।


বাবার অসাধারণ ভালোবাসা,

মাএর আদরে মন প্রাণ হৃদয় ঠাসা।

ওরে ওরে পাগল মন,

বাবা মা ই শ্রেষ্ঠ আপন জন।

বাবা মা ই শ্রেষ্ঠ বন্ধু সর্বদা,

এমন বন্ধু কোথা গেলেও পাবেনা।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

    01/09/2021;;10:30:12pm

========================


[9/1, 10:54 PM] ShankarDam: পৃথিবীর সমস্ত সন্তান দের বাবা মা ই শ্রেষ্ঠ আপনজন এবং শ্রেষ্ঠ বন্ধু  ।

[9/1, 10:55 PM] ShankarDam: ভীষন ভীষন ভালো লাগলো লেখাটি । শুভরাত্রি ।

 


828>|| 'আই এ ডি' র ভাবনা ||

  

   828>|| 'আই এ ডি' র ভাবনা ||

                     <--আদ্যনাথ-->


ইন্টারনেটের দুনিয়া আজ ভাবায়,

সহজেই দুনিয়াটা মুঠোয় পাওয়া যায়।

বর্তমান কোভিডি কালে অথবা 

অবসর সময়ে আমারা ব্যস্ত থাকি

ইন্টারনেট দুনিয়ায় নিজেকে জুড়ে 

নিয়ে।

অনেক জানা, অজানা কে জানতে।

অতি সহজেই অনেক কিছু শিখতে।

যে কোন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে,

নুতন কিছু জানতে বা বুঝতে।

আনন্দে অবসর সময় কাটাতে,

প্রিয় জনের সাথে আড্ডা দিতে।

আজ ইন্টারনেটের কোন বিকল্প নাই,

"আই এ ডি"র আসক্তি বাড়ছে তাই।

("আই এ ডি" অর্থাৎ ইন্টারনেট অ্যাডিকসন ডিসঅর্ডার) 


বাড়ন্ত ইন্টারনেটের আসক্তির কারনে,

প্রভাব ফেলছে শিশুদের শরীর ও মনে।

আজ শিশুদের স্কুল, খেলাধুলা অথবা অবসর যাপন,

সকল কিছুতেই ইন্টারনেটই তার একমাত্র সঙ্গী আপন।

আর সেই কারণেই বাড়ন্ত আসক্তির রাশ টানা একান্ত উচিত।

আর এই ক্ষেত্রে পিতা মাতার ভূমিকাই প্রধান একথা মনে রাখা উচিত।


আজ অন লাইনে চলছে স্কুল, অফিস,

মা বাবা সারাদিন মোবাইলে অফিস।

তাছাড়া মা বাবা যদি সারাদিন মোবাই নিয়ে সোশাল  মিডিয়ায় ব্যস্ত থাকেন,

তবে সন্তানের মনেও তার প্রভাব পড়বেই।


বাবা মা বাচ্চাকে পড়তে দিয়ে নিজে মোবাইলে ব্যস্ত রয়।

বাবা মা শিশুদের পাশে বসে মোবাইলে

খেলেন গেম,

অথবা সোশাল মিডিয়ায়  চ্যাট করতে, 

বা জোক্স পড়তে ব্যস্ত থাকেন,

আর মনে মনে ভাবেন, সন্তান মন দিয়ে পড়বে, 

সেটা কিকরে সম্ভব? 

এমন অবাস্তব চিন্তা করাই বৃথা।


এটাইতো স্বাভাবিক,

আপনার দেখা দেখি বাচ্ছাও সুযোগ খুঁজবে মোবাইলে গেম খেলতে।


এখানে মনে রাখতে হবে, শিশু মস্তিষ্ক প্রচন্ড প্রখর ও নানান নুতন বিষয়ে জানবার চেষ্টায় শিশুর মস্তিষ্ক সদা চঞ্চল।


আর শিশুরা তো বড়দের, বিশেষ করে মা বাবাকে অনুকরণ করবেই।

অনুকরণ করাই শিশুদের স্বভাব।

এই সকল চিন্তা করেই প্রবাদ বাক্য মেনে চলাই শ্রেয়----

"আপনি আচরি ধর্ম অপরে শিখাও"


কিন্তু উপদেশ দেওয়ার মানুষ অনেক।


 আমাদের আসে পাশে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা উপদেশ দিতে খুবই ভালো বাসেন।

কিন্তু তাদের নিজেদের জীবনে সে কাজের প্রতিফলন খুব একটা দেখা যায় না। 


এমন ব্যক্তিরা যখন কাউকে  কিছু শিক্ষা বা উপদেশ দিতে চেষ্টা করেন, তখন সেটা  গ্রহণযোগ্য না হওয়াই স্বাভাবিক।


কারন ভালো কাজ করতে বলা খুবই সহজ, কিন্তু ভালো কাজ করা বা করে দেখানোটা সহজ সাধ্য নয়।


মানুষের অবুঝ বা লঘু  মনে  অন্ধকার ও নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি প্রবল আকর্ষণ। 

সেই কারণে খারাপ কাজে কিছু মানুষ সহজাত প্রবৃত্তিগত কারণেই আকৃষ্ট হয়। 


কিন্তু এইসকল থেকে দূরে থেকে, 

জীবনে সুন্দর ও সত্যের বিকাশ ঘটানোই প্রতিটি মানুষের করণীয়। 

কিন্তু এসব মিথ্যা ও অন্ধকারের হাতছানিকে উপেক্ষা করে জীবনে সততার পথ অবলম্বন করা ভীষণ কঠিন। 

আর এই কঠিন কাজটি নিজে সম্পাদন করার পরই কেবল অন্যকে শিক্ষা দেওয়া উচিত। তবেই সেই শিক্ষা অর্থবহ হয়ে উঠবে। নচেৎ নয়।


একজন নীতিবান মানুষ তার সারাজীবনে ন্যায়, নীতি ও অনুশীলন করলেই কেবল অন্যরা তার নিকট থেকে উপদেশ গ্রহন করবে। 

উপদেশ দেয়ার আগে আমাদের অবশ্যই চিন্তা করতে হবে আমরা নিজেরা কাজটি করতে কতটুকু সক্ষম।

অর্থাৎ যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে উপদেশ প্রদানের পূর্বশর্ত হলো নিজে সেই কাজের যথার্থ অনুশীলন করা। নিজে সে কাজ করে দেখাতে না পারলে উপদেশ অর্থহীন হয়ে পড়ে। নিজে করে অপরকে শিক্ষা দিলেই, কেবলমাত্র সেই শিক্ষা গ্রহণযোগ্য হয়।

আর তখনই 

"আপনি আচরি ধর্ম অপরে শিখাও"

এই শিক্ষার যথার্থতা উপলব্ধি হয়।

আর এহেন উপলব্ধির মাধ্যমে শিশু মনকে

সুন্দর করে গড়ে তুলতে সহায়ক হয়।


খেয়াল রাখতে হবে শিশু যেন কোন মতেই

"আই এ ডি" অর্থাৎ ইন্টারনেট অ্যাডিকসন

ডিসঅর্ডারের শিকার না হয়।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================


9/1, 3:44 PM-ShankarDam: সত্যিই "আই এ ডি "  র ভাবনা নিয়ে লেখাটি অসাধারণ অসাধারণ হয়েছে । একদম বাস্তবধর্মী লেখা । ভীষন ভীষন ভালো লাগলো ।

9/1, 4:45 PM  Adyanath Roy Choudhuriবেশ বেশ প্রশংসা মূলক লেখা পড়ে আনন্দে আটখানা।

মনে থকবে আপনার সুন্দর জবাব খানা।

========================