Friday, February 25, 2022

896>|| ফাল্গুনের নেশা ||

 



     896>|| ফাল্গুনের নেশা ||

               <--আদ্যনাথ-->

ফাল্গুনের সুন্দর এই সকাল বেলা,

শীতের একটু মিষ্টি বিদায় বেলা,

বনবীথিকা রাঙিয়ে পলাশ ফুলে,

ইছাগুলি মনের আকাশে উড়েচলে।


চিন্তা গুলি ডানা মেলে নীল আকাশে,

কতো না বলা কথা রয়ে যায় মনে,

কিছু কথা রয়ে যায় মনের গোপনে,

কিছু আশা অপেক্ষার সময় গোনে।


মনের গভীরে অনেক ভাবনা জাগে, 

সকালের সুন্দর সেই সোনালী রোদে,

সন্ধ্যায় বুঝি মাদকতার নেশা লাগে,

ভালোলাগার ক্ষণে প্রথম ফাল্গুনে।


আজ বার বার তোমাকেই মনেপরে,

পুরানো সেই দিনের কথা এতদিন পরে,

জানি তুমি কোন জবাব দেবেনা এখন,

তবুও তোমার ভাবনাই ভাবে মন।


বসন্তে মন ভোলা নানা ফুলের শোভা,

রোদের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ন্ত শোভা,

কনক-চাঁপা,অশোক,পলাশের লাল,

শাল, শিমুল,আর মহুয়ার গন্ধে মাতাল।


নামানা মন জানিনা কেন দেখতে চায়,

একটু চোখের দেখা দেখতে মন চায়,

ফুলের সৌরভে মন মেতে রয়,

সময়ে বুঝি সবকিছু হারিয়ে যায়।

   <-- আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

==========================







Monday, February 21, 2022

895>|| আমার বাংলা ||

    895>|| আমার বাংলা ||

          <--আদ্যনাথ-->

বাংলা আমার ভাষা, 

বাংলা আমার প্রাণ।

বাংলা আমার মায়ের ভাষা,

বাংলা আমার হাসি কান্না।

বাংলা আমার সুখ স্বপ্ন,

বাংলা আমার সকল কল্প।

বাংলা আমার আদরের,

বাংলা আমার সকলের।

বাংলা আমার পথের দিশা,

বাংলা আমার সকল শিক্ষা।

বাংলা আমার মায়ের কোল,

বাংলা আমার আদরের বোল।

বাংলা আমার ভাবনা চিন্তা,

বাংলা আমার মনের চিন্তা।

বাংলা আমার সপ্ন দেখা,

বাংলা আমার প্রানের সখা।

বাংলা আমার ভালোবাসা,

বাংলা আমার অফুরন্ত আশা।

বাংলা আমার পথ চলা,

বাংলা আমার কথা বলা।

বাংলা আমার জাতির গর্ব

বাংলা আমার স্বর্গ।

বাংলা আমার স্বর্গাদপি গরীয়সী

আমি আমার বাংলাকেই ভালোবাসি।

  <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

=======================


বাংলা আমার মায়ের ভাষা,

এ ভাষাতেই আছে মায়ের ছোঁয়া,

এ ভাষাতেই বাংলার মাটির গন্ধ,

এ ভাষাতেই প্রাণ খোলা আনন্দ।

           <---আদ্যনাথ--->

==========================


Saturday, February 19, 2022

894>|| কুকীর্তি ||

    894>|| কুকীর্তি ||

         <--আদ্যনাথ-->

সুন্দর যেখানে,

প্রকৃতি  হাসে সেখানে।

মন চায় কিছু বলতে,

একটু প্রাণ খুলে হাসতে।


এতো কোলাহল বিষাক্ত হওয়া,

দিনশেষে ভাবনায় ডুবে যাওয়া।

ওরা কাঁদে, নীরবে ঝরেপড়ে,

বুকভরা বেদনার অশ্রু ঝরে।


আকাশটা এখনো নীল তাই,

পাখিদের এখনো দেখতে পাই।

ঘাসেরা এখনো সবুজ আছে,

মাটিকে এখনো ঢেকে রাখেছে।


হাওয়ায় বিষ, জলে বিষ,

এতো বিষের বোঝা তবুও

বৃক্ষগুলি মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,

এভাবেই প্রাণী কুলকে বাঁচিয়ে রাখেছে।


অতি সামান্য কিটেরাও

প্রকৃতিকে সহায়তা করে।

মানুষ আমরা শ্রেষ্ঠ হয়েও

রোজ বিষ ছড়াই জেনে বুঝে 

না জানার ভান করে।


আর কতদিন সইবে প্রকৃতি

আমাদের নিত্য নুতন অপকৃতি।

এতো সুন্দরের মাঝে কুকর্ম

পরিবেশ দূষণের হরেক কুকীর্তি।

    <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

==========================



893>|| ভালোবাসা ||

      893>|| ভালোবাসা ||

                 <---আদ্যনাথ--->

ভালোবাসা, ভালোবাসা,

ভালোবাসা প্রকৃতির লীলাখেলা,

ভালোবাসা কেউ কাউকে করেনা

ভালোবাসা হয়েযায় জীবনে।


সুন্দরকে ভালোবাসা 

সে মস্তিষ্কের এক সুন্দর চেতনা।

তারসাথে যদি জুরেজায় শরীর

তবে সে ভালোবাসা বাঁধেনা নীড়।


ভালোবাস যখন চোখের নেশা,

সে নিশ্চয় ভয়ঙ্কর গম্ভীর দশা।

সে ভালোবাসা কামগন্ধে ভরা

পশুর ন্যায় শুধু কামনা ভরা।


ভালোবাস যখন কামনায় পরিপূর্ন,

সেতো নিকৃষ্ট কৃমিকিটের ও জঘন্য।

ভালোবাসায় থাকে চাওয়া পাওয়া

সে হৃদয়ের ব্যাকুল হয়ে পাওয়া।


ভালোবাসা এক আবেগের অভিজ্ঞতা।

আবার কখনো মানবিক অনুভূতি।

কিছু মানুষের একান্ত স্নেহের বহিঃপ্রকাশ।

ভালোবাসার আছে নানান দৃষ্টিকোণ।


এখন ডিজিটাল ভালোবাসার কাল,

শুধু মিডিয়া আর ইন্টারনেটের জাল।

রোজ রোজ সেলফির যাতাকলে

ঘুরে মরতে হয় ফেসবুকের কলে।


ডিজিটাল ভালোবাসায় টিকেতে হলে

ভালো করে অভিনয়টা  শিখতে হবে।

নয়তো ভালোবাসায় ফকোর দিয়ে,

সবকিছুই যাবে চিচিংফাঁক হয়ে।

      <---আদ্যনাথ রায় বহুধুরী--->

==========================




892>|| আবেগ,বিবেক ||

     892>|| আবেগ,বিবেক ||

            <--আদ্যনাথ-->

আবেগ সেতো ক্ষনিকের তরে

ঠিক যেন মোমবাতির আলো,

একটু পরেই নিভে যাবে।

কিন্তু বিবেক---

সেতো সূর্যের আলোর প্রকাশ

একবার জাগরিত হলে 

আর কখনোই নেভে না।


বিবেক,মানুষের নিজের,

শ্রেষ্ঠ আদালত ও ন্যায় বিচারের স্থান।

সেই কারণে নিজের সওয়াল,জবাব নিজের কাছে।

বিবেকের আওয়াজ যে শোনে

সে কখনোই নাহি হারে।

     <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

========================

891>|| এগিয়ে চলা ||

        891>|| এগিয়ে চলা ||

                    <--আদ্যনাথ-->

সমস্যা ছাড়া জীবন অপূর্ন অসুন্দর,

সমস্যা আছে তাইতো জীবন সুন্দর।

নিত্য নুতন পথখুঁজে এগিয়ে চলাই জীবন

সমস্যাই এগিয়ে চলার দিশারী যেমন,

সমস্যা যখন আসে চতুর্দিক থেকে ঘেরে,

সমস্যার সমাধানেই মনের জোর বাড়ে,

তবুও জীবনে এগিয়ে যেতেই হবে।

নয়তো জীবনের অগ্রগতি থেমে যাবে।

জীবনে উদ্যেশ্য যদি হয় মহৎ

তবে এগিয়ে চলাও  হয় সহজ।


যতো বাঁধাই আসুক না কেন সমস্যা রূপে

দৃঢ় মনবলে সকল কিছুই যাবে গুঁড়িয়ে।

চলতে হয় মহান জীবনিকে আদর্শ করে,

তাহলেই ঈশ্বরের আশীর্বাদ ঝরে পড়ে।

প্রকৃতি সুন্দর, তাই সুন্দরকে রক্ষা করে

মহৎ ভাবনা, হয় সুন্দর সকলের তরে।

বিশ্বাসেই স্বার্থকতা তর্কে নিশ্চিৎবহু দূর,

শুভ চেতনা, আত্মবিশ্বাসে জীবন সুন্দর।

ভীরু কাপুরুষের নেতিবাচক চিন্তা,

চলার পথে পথ হারায় ভীরু ওই মনটা।

        <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

===========================



890>|| দিল্লিকা লাড্ডু ||

         890>|| দিল্লিকা লাড্ডু ||

                       <--আদ্যনাথ-->

আইবুড়ো ভাবে মনে ছাড়িয়া নিঃস্বাস,

বিয়ে করেই স্বর্গ সুখ আমর বিস্বাস।

বৃদ্ধবয়সে আইবুড়োর ভাবনা অধিক বারে,

বিয়েটা নাকরেই সবকিছু গেলো রসাতলে।


বিবাহিতা কপাল ঠোকে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে,

মানুষ থেকে ভেড়া হয়েছি বুঝেছি বিয়ে করে।

বিবাহিতার ঠাট বাট সব যায় ঘুঁচে বিয়ের বছর দুই পরে,

বিবাহ মানেই বলির পাঠা,বোঝে বিয়ে করার পরে।


সোলার মুকুট হালকা হলেও বেজায় ভারী বটে,

হাড়ি কাঠে মুন্ডু দেয় কি আর বুদ্ধি থাকলে ঘটে।

আইবুড়োর ভাবনা,বিয়ের মতন সুখ কি আর এই জগতে আছে!

বিবাহিতার ভাবনা জীবনটাই হোল বৃথা

বিয়ের লাড্ডু খেয়ে।


বিয়ের পরে সবাই দেয় উপদেশ বিয়ের মর্ম কথা,

বিয়ের আগে কোন উপদেশ শোনে কোন গাধা।

বিয়ের সার মর্ম দিল্লির লাড্ডু জানে,

সে লাড্ডু খাও বা না খাও আফসোস থাকবে মনে।

      <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

==========================





889>|| পরিযায়ী ||

         889>|| পরিযায়ী ||

                 <--আদ্যনাথ-->


এক মুঠো রোদ্দুর আর উত্তরের হওয়া,

শীতের সকালে মেজাজ ফিরে পাওয়া।

রঙিন স্বপ্ন নিয়ে বসন্ত দাঁড়ায়ে দুয়ারে

পলাশের ঘুম ভেঙে সবে  মুখ বাড়ায়ে।


কত ভাবনার পাহাড় জমে আছে মনে,

জানিনা কত অশনি সঙ্কেত ছিল মনে।

কাছের অনেকেই চলে গেছে একে একে

তারা চলে গেছে ভাবনাকে গোপন রেখে।


যা ছিলো,কোথায় যেন হারিয়ে গেলো,

যা পেয়েছি একান্ত গোপনে রয়ে গেলো।

পাখিরা আজও দলবেঁধে উড়ে চলে,

ওদের দেখেই কত ভাবনা জাগে মনে।


মন তো চায় একটু উড়ে বেড়াতে,

নানান ভাবনায় বেঁধে রাখতে হয় মনকে।

এবার উত্তরের হওয়া ধীরে হচ্ছে শান্ত,

ফাগুনের আগমনে মন হয়ে ওঠে অশান্ত।


ভাবনার জট বাঁধে মিষ্টি রোদের ছোঁয়ায়,

পাখিদের আনাগোনা পলাশের আঙিনায়।

মনের ভাবনা গুলি রঙিন স্বপ্নে বিভোর,

ভেঙে দিতে চায় অশুভ সকল করিডোর।


পরিযায়ী পাখিরা ফিরে যায় নিজের দেশে

শিতে আসে ওরা একটু খাবারের খোঁজে।

ওরা ফিরেজায় প্রথম বসন্তের আগমনে,

শিখিয়ে যায়  শীতের পরশটুকু মেখে।


আনমনা এই মন ভাবে বন্ধি দশার পরে,

কতো পরিযায়ী রয়ে যায় চলার পথে।

তবুও ওরা আসে যায় আহারের সন্ধানে,

অসমর্থ পরিযায়ী দের কে আর ভাবে।

         <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

============================




 

Friday, February 18, 2022

888>|| জীবনালেখ্য ||

 


          888>|| জীবনালেখ্য ||

                <---আদ্যনাথ--->

কর্মই জীবনের চালিকা শক্তি।

কর্ম বিহনে হয়না জীবনের মুক্তি।

জন্মিলেই মরিতে হইবে অতি সত্য,

জন্মান মাত্রেই কর্ম শুরু নিতান্ত সত্য।


সুকর্মে গড়ে ওঠে উত্তম জীবন,

কর্ম বিহীন কখনো বাঁচেনা জীবন।

কর্মের প্রকার ভেদ আছে নিশ্চয়,

কর্ম ছাড়া জীবন অস্তিত্ব হারায়।


কর্মবাদ জীবনের চিন্তার বিষয়,

কর্মই জীবনে চলার পথ দেখায়।

যথেচ্ছ ভাবে চলে না জীবন,

অপকর্মে পথ হারায় যখন তখন।


কর্ম সর্বদা ‘অদৃশ্য শক্তি’  উৎপন্ন করে,

জীবনে কর্ম অনুসারে সুখ-দুঃখ ভোগ হয়।

কর্মবাদ দর্শনের একটি নৈতিক ধারণা। 

কর্মবাদে,সৎকর্মে পুণ্য, অসৎ কর্মে পাপ ভোগ হয়।


কর্মবাদ নৈতিক কার্যকারণবাদ। 

কর্মবাদ  সর্বব্যাপী নৈতিক নিয়ম,

কর্মবাদ কর্মফল সৃষ্টির অদৃশ্য শক্তি। 

কর্মবাদেই জন্মান্তরবাদ প্রতিষ্ঠিত।


জীবন চলে কর্ম ও সংযমের  নির্দেশে।

উন্মাদের জীবন চলে উন্মত্ততার বেগে, দিশাহীন নির্দেশে।

উত্তাল সমুদ্রে পাল ও হাল বিহীন নৌকার দশা বিশেষে।


জীবন দর্পন সাদৃশ্য,

সুকর্মই মনুষ্যের জীবনালেখ্য। 

কর্মেই প্রকাশিত জীবন চরিত্র,

মানুষের শ্রেষ্ঠ গুন সুন্দর চরিত্র।


চরিত্র গুনেই মানুষ পূজ্য সর্বত্র

সুকর্ম,উত্তম চরিত্র দেয় অমরত্ব।

মহান চরিত্রের অধিকারী শ্রেষ্ঠ চিরদিন,

জ্ঞান ও মনের ভাবনা যদি না হয় মলিন।

     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

============================

Sunday, February 13, 2022

887>|| পরিহাস, ঠাট্টা,তামাশা,কৌতুক ||

 



887>|| পরিহাস, ঠাট্টা,তামাশা,কৌতুক ||

                     <--আদ্যনাথ-->

 ঠাট্টা,তামাশা,পরিহাস,মজাক,

সকলকেই হওয়া উচিত সজাগ।

সুযোগ বুঝে বহু মানুষ এই দোষে দুষি,

দুর্বলকে পরিহাস করেই একটু খুশি।


পরিহাস, বড়ই বিচিত্র তার স্বভাব,

এক পরিহাসেই মহাভারত ঘটেছিল,

এক পরিহাসেই যদুবংশ ধ্বংস হয়েছিল।

পরিহাসের বড় বিচিত্র ইতহাস।


করা উচিত নয় কারুকে কোন পরিহাস।

সামান্য এক পরিহাসের কারন হতে পারে বিরাট ইতিহাস।

অপরকে সামান্য হলেও না করাউচিত পরিহাস।


মানুষ যেমনই হোক সে যদি হয় কারুর কোন পরিহাসের কারণ,

জীবনে নেভেনা কখনো কোনদিন,

তার পরিহাসের প্রতিশোধের আগুন।


এক শিশুকেও করলে পরিহাস অর্বাচীন ভেবে,

সেই শিশুও ভোলেনা সেই পরিহাসের প্রতিশোধের আগুন কোন ভাবে।

প্রকাশ না করলেও প্রতিশোধের আগুন তার মস্তিষ্কে ধিকি ধিকি জ্বলতেই থাকে।


করোনা কৌতুক তামাশা

তোমারও হতে পারে এমন দশা।

কারুকে সামান্য বিদ্রুপ করা

জীবনে শ্রেষ্ঠ সুপ্ত অপরাধ করা।


মানুষ মাত্রেই সইতে পারেনা 

তাকে নিয়ে কোন বিদ্রুপ তামাশা।

হৃদয় বিদারী সেই বিদ্রুপের আগুন,

দিন দিন বাড়তে বাড়তে হয় দ্বিগুন।


তার সূক্ষ্ম মস্তিষ্কের অশুভ চেতনা

কখনো কোন মানুষ ভুলতে পারেনা।

সেই হৃদয় বিদারি উপহাসের আগুন

তোমার ক্ষতি করবে নিশ্চই বহুগুণ।

         <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

===========================



Wednesday, February 9, 2022

886>|| পরিনাম ||

 


      886>|| পরিনাম ||

             <--আদ্যনাথ-->

জীবনের ভুলগুলি শুধরে নিতে

খুজছি ওলট পালট করে মুন্ডুটাকে।

নিজের ঘিলুগুলি সাজানোই ছিল

আসেপাশে সব ফাঁকির ফোকর ছিল।


ওরা যেন অবুঝ শান্ত কিশলয়,

অপরে কাঁধে দোষ চাপিয়ে থাকে নিরালায়।

হাঁ হুতাশ করে কাটে রাত দিন,

পথের দিশা সকলি হতাশায় মলিন।


এখন বুঝেছি বেঁচে থাকাটা দুরাশার দিন,

মৃত্যু সেতো শ্যাম সমান বড়ই কঠিন।

নাজানি কেনরে ফুরিয়েছে অশ্রু,

হৃদয় বেদনায় খুঁজে পাইনা শুশ্রুষু।


হায়রে জীবন, একি তোর পরিনাম,

কিসের মোহে বসে একা কিসের তরে।

নিজের দোষে ভুগছি নিজে,

দূষছি কেবলি ভাগ্য দেবতারে।

     <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

==========================


Saturday, February 5, 2022

885>|| অবশিষ্ট জীবন ||

 


      885>|| অবশিষ্ট জীবন ||

                <---আদ্যনাথ--->

জীবনে একাকীত্ব ও হতাশা

সবথেকে করুন দুর্দশা।

এই দুয়ের একই সমাধান

প্রাণ মন খুলে হাসতে পারা।


একটু হাসিতেই দূর হয়

মনের সকল অবসাদ,দুর্দশা।

প্রাণখোলা হাসিই শ্রেষ্ঠ ঔষধ

আর সকল তৃপ্তির শেষ কথা।


জগতে সকল কিছুই দামি,

পাওয়ার আগে আর

হারিয়ে যাবার পরে।

চাওয়া পাওয়ার জীবনে

হয়তো কিছু চাওয়া পাওয়া 

থেকেই যায় অবশিষ্ট জীবনে।

         <---আদ্যনাথ--->

========================

884>|| ডিজিটাল হাতেখড়ি ||

   884>|| ডিজিটাল হাতেখড়ি ||

            <---আদ্যনাথ-->

আজ শুরু লেখা পড়া

বাবা মায়ের শুরু স্বপ্ন দেখা।

দিনদিন বাড়বে আশার বোঝা

সন্তানকে নিয়ে যত স্বপ্ন দেখা।


খড়িমাটি বা চক দিয়ে প্রথম শুরু লেখা

তাইতো বলাহয় হাতেখড়ি।

আজই শুরু অ আ পড়া,লেখা,

ঠাকুর মশাই হাত ধরে শেখাবেন লেখা।


আমাদের ছোট বেলায় হাতেখড়ি,

আজও মনেপরে সেদিনের সেই ছবি।

সেদিনের সেই স্লেট খড়িমাটি

খাগের কলম আর দোয়াতের কালি।


সুলেখার সেই দোয়াতের কালি

অথবা টেবলেট গুলে তৈরিU কালি।

মোটা কাগজ আর নিবের কলমে

স্লেটে লিখেই চলতো রোজের লেখা।


আজ তো কম্পিউটার লেপ টপ

মোবাইলে লিখবে টপাটপ।

কিহবে খড়িমাটি আর খাগের কলমে

আঙ্গুল চলবে কম্পিউটার কি বোর্ডে।


 এবার ডিজিটাল পুজোর মন্ত্র :


ফেসবুক,  হোয়াটস‍্যাপ চ‍্যাটেভ‍্য

বিদ‍্যাস্থানে ভয়ে ভয়ে এব চ ।

এষ সচন্দন বইপত্র জলাঞ্জলি নমো 

শ্রীশ্রী সরস্বত‍্যৈ নমঃ ।।

জয় জয় দেবী

করোনাকালে

স্কুল কলেজ বন্ধ তাই

সারাদিন শুধু মস্তি।

মোবাইল হস্তে

ভগবতী ভারতী

দেবী নমস্তে ।।

      <---আদ্যনাথ-->

====================


883>|| সুখ স্বপ্ন ||

       883>|| সুখ স্বপ্ন ||

                <--আদ্যনাথ-->


সেই দিনগুলি আবার আসে ফিরে

তাইতো আশা আছে স্বপ্ন ঘিড়ে।

আসার আশায় বেঁধেছি কোমর,

সুন্দর স্বপ্নেই কেটে যায় প্রহর।


সেই দিনগুলি আবার আসবে ফিরে,

সুখের জালবুনি লুকানো স্বপ্ন ধীরে।

শীঘ্রই কেটে যাবে আতঙ্কের দিনরাত,

 আমরাও দেখবো সেই সুন্দর প্রভাত।


করোনা রুপি ভঙ্করের নৃশংশতা

মানব জীবনের চরম দুর্দশার ব্যাথা।

করোনার নৃশংশতার কর্মকান্ড 

ধরিত্রীকে করেচলেছে লন্ডভন্ড।


আজও ভয়ে জর্জরিত সকল সমাজ,

মানুষ আশনিসঙ্কেতে ব্যতিব্যস্ত আজ।

আজ সৃষ্টিই বুঝি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে,

আবাল-বৃদ্ব-বনিতা ভীত অজান্তে।

     <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

===========================



Wednesday, February 2, 2022

882>|| জীবনের ভাবনা ||

       882>|| জীবনের ভাবনা ||

                    <---আদ্যনাথ-->

জীবন সর্বদা ভাবনার অধীন,

ভাবনার অনুকূলেই বয়ে চলে দিন।

সিদ্ধি লাভে চাই একনিষ্ঠ শুদ্ধ চেতনা,

জীবন গড়তেও চাই নির্মল ভাবনা।


কেমন কাটবে আগামী দিন

সেতো নিজের ভাবনার অধীন।

ভাবনার নিরিখে সকল মানুষই স্বাধীন,

ভালোথাকা নাথকা একান্ত নিজের ভাবনার অধীন।


আত্মবিশ্বাসের বলে বলীয়ান যে জন,

সেই খুঁজে পায় অমূল্য সফল জীবন।

মনে প্রানে সদা ইতিবাচক ভাবনা,

সফলজীবন গড়ার অনুকূল প্রেরণা।


নেতিবাচক চিন্তার সামান্য স্ফুলিঙ্গ,

জীবনে দেয় শুধু অসফলতার তরঙ্গ।

ইতিবাচক,নেতিবাচক মনের ভাবনা,

সফলতা অথবা জীবন ভর যাতনা।


ইতিবাচক তথা ধনাত্মক ভাবনা,

জীবনকে সার্থক গড়ে তোলার চেতনা।

নেতিবাচক তথা ঋণাত্মক নিচ ভাবনা,

জীবনের সুন্দর পথে শুধুই বেদনা।


নেতিবাচক চিন্তায়,

দিনে দিনে মানসিক জটিলতার সৃষ্টি হয়।

নিজেরবিশ্বাসে বাঁধার সৃষ্টি হয়,জীবন অতিষ্ঠ হয়।


ইতিবাচক ভাবনা, 

আত্মমর্যাদাবোধের অন্যতম উপাদান,

ইতিবাচক মানুষই ছড়িয়ে দিতে পারে

নিজের ভাবনার সুন্দর ধনাত্মক উপাদান।

      <---আদ্যনাথ রায় চৌধরী-->

===========================