856>শ্রীমান শ্রীমতি শঙ্কর ও প্রণতি
শ্রীমান শ্রীমতি শঙ্কর ও প্রণতি
সাইত্রিশ বিবাহ বার্ষিকীর পূর্তি।
আনন্দ মুখরিত ক্ষণের সুকীর্তি,
চিরসুন্দর আনন্দিত যুগল মূর্তি।
37 বৎসরের পাঁকা পোক্ত দুটি মন,
উভয়ে সুন্দর একে অপরের কারণ।
এমন জুটি দেখে সকলের গর্ব হয়,
এমন বন্ধন দেখে অনেক উপলব্ধি হয়।
সত্যি ভাবতে ভালো লাগে
আজও এমন প্রেমের বন্ধন আছে।
এমন সুখী বিবাহ বন্ধন এখনো বিদ্যমান,
একে অপরের পরিপূরক আয়ুষ্মান।
বিবাহ বার্ষিকী শুধু নয় একটি অনুষ্ঠান,
এ হোল এক সার্থক জীবনের মেল- বন্ধনের অনুষ্ঠান।
এক সার্থক খুশি ও আনন্দের অনুষ্ঠান,
অনেক ভালোলাগা মুহূর্তের অনুষ্ঠান।
বিবাহিত দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন
অনেক ভালোলাগার সুন্দর জীবন।
দুটি মন একসাথে টিকে থাকার মিলন,
অনেক প্রতিশ্রুতি পূর্ণ আনন্দপূর্ণ
জীবন।
37 বৎসরের স্মৃতিতে তৈরী প্রেমের মন্দির
শুধু দুটি মনের নয় মিলন দুটি পরিবারের।
তাই তো বিবাহ বার্ষিকী এক আনন্দ কানন
অনেক সুখ দুঃখ ও ভালোলাগার ক্ষণ।
ববিবাহিত জীবন এক সম্মানের বন্ধন
যুগল প্রেম টিকেথাকে সম্মানের কারণ।
স্বামী স্ত্রীর প্রেম স্বর্গীয় সুন্দর জীবন
একের মান বারে অন্যের সম্মানের কারন।
জীবন অনেক শিখেছে আপনাদের দেখে
সুন্দরকে খুঁজে নিতে হয় প্রকৃতির সাথে।
স্বার্থক সুন্দর আপনাদের দ্যম্পত্য জীবন
বোধহয় এমনি হয় বুঝি আনন্দ নিকেতন।
সর্বস্তরে সুন্দর স্বার্থক হোক আপনাদের দাম্পত্য জীবন।
ঈশ্বর নিশ্চই দেবেন আপনাদের দীর্ঘ জীবন।
সকলেই মুগ্ধ আনন্দিত আপনাদের দেখে,
স্বার্থক এমন যুগলবন্ধি জীবন।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=========================
37 টি বসন্ত পারের সৌজন্যে -
37 বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে -------
শ্রীমান শ্রীমতি শঙ্কর প্রণতি---
37 টি বৎসর অর্থাৎ
37 টি বসন্ত =444 টি মাস,
=13505 টি দিন,
=324,120 টি ঘন্টা,
=19,447,200 টি মিনিট,
=1,166,832,000 টি সেকেন্ড,
কম তো নয় ?
কাটালেন কেমন ?
ভাবলেন না হয় একটু
দোষ তাতে কি হবে,
একটু ভাবলে????
--------------
আজ কেমন আসছেন আপনি?
মনে পরে কি সেই রজনী!
জীবনের প্রথম,
সেই সুন্দর মধুর অপার্থিব মিলন।
সেই দিন টি নিশ্চই
আজও আছে স্বরণ।
সেই অটুট বন্ধনের--
অঙ্গীকারের অপূর্ব মিলন।
আজ মনে হয়নাকি--
একবার ফিরে যেতে সেই দিনটিতে!
মনে আছে কি সেই অপূর্ব সেদিনটি!
প্রকৃতিও যেন সেজে ছিল,
তাঁর অপূর্ব রূপে রসে গন্ধে,
সেদিনের সেই প্রথম প্রেমের সন্ধে।
কত দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কি জানি ,
মধুর মিলনের প্রথম সেই রজনী।
মনে পরে কি?
মনমুগ্ধ করা নানা পুষ্প ঘ্রাণে,
প্রকৃতিও যেন মেতে ছিল সেদিন
সেই নিবিড় রাত্রির ক্ষণে!
প্রকৃতির একান্ত আপন গোপন ছলে,
দুটি মন প্রাণের একান্ত গভীর মিলনে,
ভরে ছিল বোধ হয় মন প্রাণ,
সেই রজনীর একান্ত নিবিড় ক্ষণে।
আজ 37 টি বসন্ত হলো পার,
তাই হয়তো মনে পরে বার বার।
সেদিনের সেই মিলন অপূর্ব অপার,
বর্ণাতীত দেহ গন্ধ মিলনে,
ফুলের রেণু মেখে দুটি শরীরে,
মনে পরেকি আজ আবার !
দূরে রেখে সকল লজ্জা ভয়,
নিঃশেষ করে সকল যুক্তি,
মন খুঁজে পেয়ে ছিল পূর্ণ মুক্তি।
বর্ণাতীত সেদিনের সেই স্পন্দন,
ভুলে থাকা কি করে সম্ভব?
সেই হতে বার বার প্রতিটি রাতে,
নিঃস্বাসের প্রতিটি কম্পন মনে পড়ে কি
হৃদয়ের সেই প্রবল স্পন্দন।
কিদারুন অপূর্ব সেই প্রকৃতির লীলা,
নিবৃত্তি হয় শেষ ভোরের পাখির করলবে।
মধুর মিলনের সেই নিশি,
গগণে ছিল বুঝি পূর্ণ শশী।
জানিনা , যদি থেকে থাকে তবে,
তাঁর স্নিগ্দ্ধ আলোয় ভেসেছিল কি?
লেগেছিলো কি,
আবেগের পূর্ন জোয়ার দুটি মনে!
উত্থাল সমুদ্রের উথাল পাথাল করা,
প্রচন্ড ঢেউয়ের আবেগ পূর্ন মনে,
নিশ্চয় ভরে ছিলো পরম তৃপ্তির স্বাদ মনে।
কি দারুন সেই ক্ষণ ,
মনেকি পড়েনা অনুক্ষণ?
ফিরে যেতে চায় নাকি মন,
সেদিনের প্রতিক্ষণ!
মুখে লাজ মনে ইচ্ছা
তবুও মনে মনে সেই ক্ষণের
গোপন ইচ্ছা।
লেগেছে মনে নুতন বসন্তের ছোঁয়া,
জীবন ভোলে না তার লীলা,
কে জানে কোথায় কোন বেলা
চলে তাঁর নিত্য নুতন খেলা।
মন পৌঁছে যায় সেই খেলা ছলে
আমকুড়োনোর দিনে ,
দুপুরে উদাল হয়ে,
ছোটা ছুটি আপন মনে।
আজ লেগে হওয়া বসন্তের,
মনে পরে কি সেই দিগন্তের,
যার ছিলোনা দিগ্ না অন্ত,
এখনো বোধ হয় হয়নি অন্ত।
আছে অনেক বাকি,
থাকে থাক একটু বাকি,
আজ এখানেই থামি।
আপনাদের ভরুক মন ,
আনন্দে করুক চন মন।
আমি আবার নুতন ভাবনা ভাবি।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=========================