Saturday, December 25, 2021

868> || বন্ধু ||

           868> || বন্ধু ||

               <----আদ্যনাথ--->

খুঁজেছি তোমায় অনেক খুঁজেছি,

হেথায় হোথায়,

অনেক কথা বলতে মনচায়।

নিরালায় বসে মনেরসুপ্ত জানালায়,

খুঁজেছি সুপ্রভাতের পাতায় পাতায়।


ব্যাকুলহৃদয়ে খুঁজছি স্মৃতির পাতায়,

ব্যাকুল হয়ে একান্ত মনের কোঠায়।

দিন রাত খুঁজে চলেছি উদাসমনে,

জানিনা কোথায় পাবো খুঁজে কিভাবে।


শরতের প্রভাতে শিশিরের পরশে,

মনেপরে সায়াহ্নে হিমের পরশে।

মনেপরে সূর্যাস্তের সন্ধিক্ষণে,

মনেপরে পাখিদের কলকাকলিতে।


অতিথি পাখির কলতান গাছে গাছে,

একটু উষ্ণতার খোঁজে ওরা ফিরে আসে।

ওরা ঘর বাঁধে দূরদিগন্ত থেকে এসে,

চেনা পথেই যেন বার বার ফিরে আসে।


আমি পথ চেয়ে খুঁজে চলি তোমাকে,

ওই বিলের কিনারায় খুঁজি মনের আয়নায়।

পরিযায়ী আর অতিথি পাখিদের ভিড়ে,

দুচোখ দিনভর তোমাকে খুঁজে বেড়ায়।


বন্ধু বলে ভেবেছিলাম যারে,

এ জীবনে ভোলা কি সম্ভব তারে?

সেদিন যেমন ছিলাম তোমার পাশে,

আজওথাকতে চাই তেমনি ভালোবেসে।

         <----আদ্যনাথ--->

=====================


867>|| পুরানো স্মৃতি ||

          

     867>|| পুরানো স্মৃতি ||

                   <---আদ্যনাথ--->


বন্ধু রূপে হৃদয়ে রেখেছিলাম যারে

এ জীবনে ভোলা কি সম্ভব তারে?

সেদিন যেমন ছিলাম বন্ধুর পাশে,

আজও থাকতে চাই তেমনি ভালোবেসে।


তুমি গ্রহণ করবে কিনা, 

সেতো তোমার একান্ত ভাবনা।

দূরে ছিলাম তাই স্বাক্ষাৎ হয়নি বহুদিন,

আজও তোমার স্থান কেউ দখল করেনি।


পুরানো স্মৃতি গুলিই স্বপ্ন আমার,

সেই প্রথম শপথের স্মৃতি চারন।

আজ অলস মন অনেক ভাবায়

সেদিনের সেই অন্তরঙ্গতার কারন।


ভাবি তোমাকে স্বপ্নে ঘুম ভেঙে,

ভোরের স্বপ্ন নাকি সত্য হয়।

পথপানে তাকিয়ে থেকেই সন্ধে হয়,

ভাবনা গুলি সব জটপাকিয়ে যায়।


কেন জানিনা মন ভুলতে পারেনা,

গ্রীষ্মের দুপুরে পুকুরে দাপা দাপি,

মনেপরে তোমার সেই ভূতের ভয়,

সন্ধ্যায় বাদুড় গুলি দেখেও ভয়।


কলেজের ছুটির পরে হেদুয়ায় 

কফিহাউজে পকড়া, কফির আড্ডা।

হাসি তামাশায় ঘন্টার পর ঘন্টা,

শীত,গ্রীষ্ম,বর্ষা,বারমাস চলতো আড্ডা।


আজ শুধু স্মৃতি নিয়েই বেঁচে থাকা,

তবুও পথে ঘাটে চোখ ঘোরে একা।

যদি একবার বন্ধুর পাই দেখা,

দিন যায় মাস যায় তবুও পাইনা দেখা।


ছিলোনা কোন দাবি,কোন চাওয়া পাওয়া

শুধু ছিলো ভালো লাগার অশ্রু বেদনা।

জানিনা বন্ধু আমায় ভুলে গেছে কিনা

বিনিদ্র রজনী কাটে বন্ধুর কুশল বিনা।

         <---আদ্যনাথ--->

==========================


866>|| দৃষ্টি সুন্দর হলে ||

    866>|| দৃষ্টি সুন্দর হলে ||

             <---আদ্যনাথ--->

          দৃষ্টি সুন্দর হলে

          মনে আনন্দ লহরে।

দৃষ্টি সুন্দর হলে

প্রকৃতি সুন্দর লাগে।

          দৃষ্টি সুন্দর হলে

          পরিবেশ কথা বলে।

দৃষ্টি সুন্দর হলে

গৃহের শোভা বাড়ে।

           দৃষ্টি সুন্দর হলে

           সদা শান্তি বিরাজে।

দৃষ্টি সুন্দর হলে

হৃদয় কথা বলে।

             দৃষ্টি সুন্দর হলে

     জগৎ সংসার সুন্দর লাগে।

           <---আদ্যনাথ-->

========================


865>|| শীত এলো ||

       865>|| শীত এলো ||                         

               <----আদ্যনাথ--->

শীত শীত শীত,

শীত এলো তাই শিহরণ জাগে মনে,

শীত এলো তাই আনন্দ জাগে মনে,

শীত এলো তাই সর্বদা খাইখাই মনে,

শীত এলো তাই একটু উরু উরু মনে।


শীত এলো তাই অলসতা ভরে মনে,

এবার সোয়েটার কম্বল বার হবে।

এতদিন ওরা বাক্স বন্ধি হয়ে ছিল,

শীত আসতেই রোদে দেওয়া হল।


শীত আসতেই নুতন খাবারে লোভে

লালাইতো মন,

পিঠেপুলি খাবার জন্য ব্যাকুল প্রাণ মন।

শীতের সকালে খেজুরের রসে অমৃতের আশ্বাস।

মনে জাগে পিঠেপুলির মনভোলা স্বাদ।


শীতেই  নিত্য নুতন ব্যঞ্জনের খোঁজ,

শীতে মনের আনন্দে ভুঁড়ি ভোজ।

শীতের রকমারি সবজি ও মিষ্টান্ন,

শীত মানেই ভোজ ও নিদ্রায় আনন্দ।


এতো আনন্দের মাঝেও কষ্টের ছোঁয়া লাগে,

কতো দুঃখী জন, শীতে কতো কষ্ট ভোগে।

ভোর বেলা স্টেশনে দেখেছি ছেলেটিকে

উদম গায়ে,

ঘুমিয়ে আছে চটের বস্থা জড়িয়ে 


দুটি কুকুরের বাচ্চাও ছিল ওর সাথে,

রাত ভর ওরা ঘুমিয়ে ছিল এক সাথে।

ছেলেটি রাতভর স্বপ্ন দেখেছে হয়তো,

নিশ্চই ওর বাবা মা ছিলো হয়তো।


কাঠ পাতায় আগুন জ্বালিয়ে রাত কাটে,

শীতের রাতে এমনি করেই কুঁকড়ে থাকে।

শীত ও বর্ষার প্রচন্ড দাপটে ওরা অসহায়,

পথকুকুর আর ওরা একে অপরের সহায়।


প্রচন্ড বর্ষার পরেই শীত জাঁকিয়ে বসে,

বারমাস ওদের এমনি করেই দুঃখে কাটে।

তবুও ওরা বেঁচে থাকে,হাসে প্রাণ খুলে,

প্রকৃতি বোধহয় ওদের বাঁচিয়ে রাখে।


শীত গ্রীষ্ম বারমাস ওদের সমান কাটে,

প্রকৃতির সাথে ওরা মিলে মিশে থাকে।

আমরা দেখেও দেখিনা,তেমন করে ভাবিনা,

ওরাও বেরেচলে পথের ধরে, আমরা ভাবিনা।


আমরা কোট প্যান্ট সোয়েটার চাপিয়ে

বাবু সেজেও শীতে ঠান্ডার ভয় লাগে।

সকাল হলেই ওরা রোদপোহায় সকলে,

সূর্যের তাপেই ওরা আনন্দে সুস্থ থাকে।

            <----আদ্যনাথ--->

===========================


864>|| এস হে সুন্দর ||

      864>|| এস হে সুন্দর ||

                 <--আদ্যনাথ-->

এস হে সুন্দর এসো এসো,

ব্যাকুল মন খুঁজছে তোমায়।

তোমার আগমনেই আনন্দ

অশান্ত মন বুঝি হারায় ছন্দ।


তুমি চির সুন্দরের প্রতিমূর্তি।

হৃদয় মাঝে তোমাকেই খুঁজি,

শেষের তরীতে যেন পাই ঠাঁই,

মনে মনে তোমাকেই খুঁজে বেড়াই।


আমি সুন্দরের পূজারী,

সুন্দরকেই ভালোবাসি।

নানান অজুহাতে সকাল সন্ধে,

সুন্দরকে খুঁজি প্রকৃতির মাঝে।


শীতের কুয়াশা ভেজা সকালে,

ফুলের পাপড়িতে শিশির বিন্দু জমে। 

মৌমাছিরা নেচে চলে ফুলে ফুলে,

প্রজাপতির পাখায় ফুলের রেনু মেখে।


প্রভাতে ফুল ফোটার অপেক্ষায়,

বৃক্ষ লতা ঊষার আলো চায়।

মৌমাছি আর ভ্রমরেরা ডানা ঝাপটায়,

শিশিরের বিন্দু ঝেড়ে ফেলতে চায়।


মধু-গন্ধে ভরা বনাঞ্চল আজি,

প্রভাতে ছায়া শীতল বনরাজি।

তোমার স্নেহ পরশের তরে ব্যাকুল মন,

এসো সুন্দরের শ্রষ্ঠা প্রকৃতি ছায়া শীতল।


কিজানি কেন আজ তোমাকেই চায়

বারে বারে ব্যাকুল মন উদাস হয়ে যায়।

হে সুন্দর তোমার স্নিগ্ধ নীল আঁচলে,

কত অজস্র গান আদর আছে লুকায়ে।

               <--আদ্যনাথ-->


=========================

863>|| শীতের সমারোহ ||

   863>|| শীতের সমারোহ ||

                     <--আদ্যনাথ-->


বর্ষার পরেই শীত আসে ধীরে,

প্রকৃতি সেঁজে ওঠে নুতন করে।

বৃক্ষ লতা পাতায় শিশিরের পরশ,

প্রকৃতিতে শান্ত শীতল আনন্দ হরষ।


শীত আগমনের প্রস্তুতির বেলা,

শুরু হয় গাছে গাছে পাতাঝরা।

চিনারের পাতা তাই রঙিন হলো,

ঝড়েপড়ার আগে সেঁজে উঠলো।


শীতের হিমেল হাওয়ায় আনন্দ বাহার, 

 ফুলের সমারোহ যেন আনন্দ বিহার।

মন ব্যাকুল ফুলের  সমারোহ দেখে,

নূতনের গন্ধে মনে শিহরণ জাগে।


শীতে অজস্র রঙিন ফুলের সমারোহ,

প্রকৃতি যেন সুন্দরের পসরা সাজিয়ে,

বসে আছে মেঘের আঁচল বিছিয়ে,

কলঙ্ক রূপ কালমেঘ তবু থাকে ঘিরে।


দক্ষিণায়নের হেলেপরা সূর্য রশ্মি, 

উত্তরের হিমেল হওয়ায় বাড়ন্ত শীত।

কুয়াশার কালো মেঘ আকাশকে ঢাকে

শীতকে ফিরিয়ে দিতে চায় বারে বারে।


কুয়াশা আজ সূর্যকে রেখেছে ঢেকে

প্রকৃতি মায়াময় আবরণে আছে ঘিরে।

শিউলিদের কপালে চিন্তার ঘাম জমে, একটু ভালো সাজোখেজুর রসের সন্ধানে।


শীতে জিরেনকাটের নলেন গুড়,

একটু ভালো খৈএর জন্য চাই কনকচুড়

তাই শীতে শিউলিদের বাড়ন্ত উৎসাহ 

সাজো রসের গুড়ের সেই স্বাদের জন্য।


শীতের পিঠে পুলি জয়নগরের মোয়া

নলেন গুড়ের মিঠে গন্ধের ছোঁয়া।

বোধহয় শীতেই সর্বসুন্দর প্রকৃতি,

হৃদয়ের মাঝে তাই সুন্দরকেই খুঁজি।


শীতের মায়াময় রূপেই নানা ছন্দ

ফুলে ফুলে দেখি মধুকরের আনন্দ

নানান ফুলে সজিয়ে রঙিন ডালি।

শীতের সকাল যেন সুন্দরীপরি।

                   <--আদ্যনাথ-->

======================

শীতের সময়ে খেজুর গাছ বিশেষ পদ্ধতিতে চেঁছে তা থেকে রস নামানো হয়। এ পেশায় নিয়োজিত বলা হয় ‘গাছি’ বা শিউলি।

সাধারণত সপ্তাহে তিন দিন গাছ কাটা হয়। এর মধ্যে সপ্তাহের প্রথমে যে রস নামানো হয় সেটিই সবচেয়ে উৎকৃষ্ট। সপ্তাহের প্রথম দিন নামানো রসকে ‘জিরান কাটের রস’ বলে, দ্বিতীয় দিনেরটিকে বলে ‘দো কাটের রস’ আর তৃতীয় দিনের রসকে বলে ‘ঝরা রস’। প্রথদিনের রস থেকে ভালো মানের গুড় ও পাটালি তৈরি হয়। ঝরা রস থেকে হয় ‘তোয়াক গুড়’ ও ‘ঝোলা গুড়’।




Friday, December 24, 2021

862>|| মুর্গা,মুরগী সাবধান ||

 


 862>|| মুর্গা,মুরগী সাবধান ||

            <----আদ্যনাথ--->

ওরে ভয়নাই ভয়নাই

সিটিজেন হলে ভয়নাই।

বয়লারেরা সাবধান,

তোমাদেরই হবে নিধন।

যদিও নিধনের তরে ই সৃষ্টি ওদের,

তাই ওই বয়লার দের নিধন হবে।


31 ডিসেম্বর ও 1লা জানুয়ারি

চলবেনা কারুর কোন জারি জুড়ি।

একবৎসর সকল পিকনিক ছিল বন্ধ,

এবার হবে পিকনিক নাই কোন দ্বন্দ।


করোনা আশীর্বাদ মুর্গা,মুরগী দের জন্য,

হয়নি পিকনিক, বাজার ছিল বন্ধ।

এখনতো সবকিছু হয়েছে চালু,

তাই তো মুর্গা,মুরগী দের বুক দুরু দুরু।


এবার আর চলবেনা কোন জারি জুড়ি

চলবে মুরগী মুর্গাদের জবাই ভুঁড়ি ভুঁড়ি।

দেশীদের ছেড়ে বয়লারদের হবে বলি,

দেশির দাম বেশি তাইতো দাম্ভিক ভারী।

              <----আদ্যনাথ--->

==========================



861>||EMPTY

   Empty

860> || EMPTY

  860> || EMOTY

Wednesday, December 22, 2021

859>|| জিরেনকাট ||

     859>|| জিরেনকাট ||

                   <---আদ্যনাথ-->

শীত যখন আসে জাঁকিয়ে

জিভে জল আসে হাঁকিয়ে।

হরেকরকম সুখাদ্যের লোভ 

শাক সবজি ও নানান মিষ্টান্নের ভোগ।


শীতে জিরেনকাটের নলেন গুড়,

আর বাহারি কনকচুড়ের খৈ।

রকমারি খাবারের আনন্দে,

খাওয়ার আগেই মন ভরেজায় গন্ধে।


গ্রাম গঞ্জে শিউলিদের বাড়ন্ত উৎসাহ, 

হাড়ি ভরা খেজুরের রসের সমারোহ।

রসের জন্য শিউলিদের উৎসাহ বাড়ে

খেজুরের সাজো রসেই স্বাদ নলেন গুড়ে।


নলেন বা নুতন গুড়ের মিষ্টি ও মোয়া

গুড়ের স্বাদে,গন্ধে জিভে জল খাসা।

শীতের সকালে খেজুরের রসে চুমুক,

সে এক বিভৎস ভালোলাগার হুজুক।


যে খায় সেই জানে খেজুর রসের স্বাদ,

এক চুমুকেই স্বর্গীয় আনন্দের আশ্বাস।

সকালের রস যেমন মিষ্টি তেমনি মধুর,

দুপুরের পরেই সেই রসেই নেশার ধুম।


শীত মানেই নানা সুখাদ্যের রমরমা,

শীত মানেই দুপুরে অলস দিবা নিদ্রা,

আর রাতে লেপ কম্বলের নীচে সুখ নিদ্রা,

দুবেলা পেটপুরে মন্ডা মিঠাই খাওয়া।


মনেপড়ে ছোটবেলার হাড় কাঁপানো শীত,

সেই শীত আজ আর নাই।

সকালে মাদুর বিছিয়ে উঠোনে বসে

একসাথে পড়াশুনা ভাই বোন মিলে।


শীতের দুপুরে পুকুরে স্নানের মজা,

গামছা ছুড়ে ফেলে জলে ঝাঁপিয়ে পড়া।

গামছা ডুবে যাবার ভয়ে লাফিয়ে পড়া,

শীতের ঠান্ডা জলে দাপাদাপি করা।


শীতের জল কেলির সেই আনন্দ,

ছিলনা বাদ বিবাদ ভালো মন্দ।

ছিল শিশুমনে অনাবিল ছন্দ,

হারিয়ে গেছে গ্রাম বাংলার সেই আনন্দ।

           <---আদ্যনাথ-->

=========================

শীতের সময়ে খেজুর গাছ বিশেষ পদ্ধতিতে চেঁছে তা থেকে রস নামানো হয়। এ পেশায় নিয়োজিত বলা হয় ‘গাছি’ বা শিউলি।

সাধারণত সপ্তাহে তিন দিন গাছ কাটা হয়। এর মধ্যে সপ্তাহের প্রথমে যে রস নামানো হয় সেটিই সবচেয়ে উৎকৃষ্ট। সপ্তাহের প্রথম দিন নামানো রসকে ‘জিরান কাটের রস’ বলে, দ্বিতীয় দিনেরটিকে বলে ‘দো কাটের রস’ আর তৃতীয় দিনের রসকে বলে ‘ঝরা রস’। প্রথদিনের রস থেকে ভালো মানের গুড় ও পাটালি তৈরি হয়। ঝরা রস থেকে হয় ‘তোয়াক গুড়’ ও ‘ঝোলা গুড়’।



Sunday, December 12, 2021

858>|| জীবন-সঙ্গী ||

 


       858>|| জীবন-সঙ্গী ||

                  <----আদ্যনাথ--->

শরীরই আমাদের একমাত্র জীবন-সঙ্গী,

শরীর নাথাকলে কেউআর রবেনা সঙ্গী ।

শরীর যেদিন দেবেনা আর সারা

সকলেই যাবে দূরে কাছে ছিলো যারা।


আমার শরীরের দায়িত্ব আমাতেই বর্তায়,

কেউ নিতে পারেনা আমার কষ্ট আমার বেদনায়।

সুখাদ্য পানীয় সকলি শরীর সুস্থ রাখতে,

শুভ চিন্তা, মন ও ভাবনা সুন্দর রাখতে।


জপ ধ্যান তো মস্তিষ্কের বিকাশের কারণে,

ব্যাম,যোগা তো শরীর সুস্থ রাখার প্রয়োজনে।

শুভ কর্মে গড়ে ওঠে সুন্দর জীবন,

শুভ চেতনায় সুন্দর হয় সমাজ জীবন।


জন্ম থেকে মৃত্যু শরীরই সঙ্গে থাকে,

অর্থ,ধন সম্পদ মরনে সকলি পরে রবে।

মিথ্যা অহঙ্কার রাগ হিংসা দ্বেষ,

এ সকল মিলে জীবনকে করে শেষ।


সার্থক জীবন-সঙ্গী নিজের শরীর,

জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ নিজের শরীর।

মানুষই ঈশ্বর হন শরীকে নির্ভর করে,

অসীম শক্তি নিহিত শরীরের ভিতরে।


পঞ্চভূতে নির্মিত শরীর প্রকৃতির সৃষ্টি,

স্থূল শরীর অন্যময় কোষের সমষ্টি।

শরীর নিশ্চিত একদিন শেষ হয়ে যাবে,

শুভ কর্ম,শুভ চিন্তায় জীবন অমর হবে।

          <----আদ্যনাথ--->

==========================



857>কেউ বলে

 857>কেউ বলে 

"জীবননিয়ে আমরা

যতই পরিকল্পনা করি না কেনো

অবশেষে ভাগ্যে যা আছে 

ঘটবে তো সেটাই।"


কিন্তু আমি বলতে চাই--


ভাগ্যের দোহাই দিয়ে জীবন

কাটানোর মতন অহেতুক গড্ডালিকায় জীবনকে ভাসিয়ে দেবার বিশ্বাসে বিশ্বাসী আমি নই।

ভাগ্য গরেওঠে কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা,একাগ্রতা ও মনবলের গুনে।

কর্মই ধর্ম ও শক্তির বর্ম।

যে কর্মের বর্ম একাগ্রতা ও নিষ্ঠার দ্বারা আবৃত, সততা যেখানে পাথেয় ,সে ভাগ্য উচ্চ শিখর স্পর্শ করবেই তাতে কোন সন্দেহের অবকাশ থাকে না।

এবং সেটাই প্রকৃত সুন্দর ও শ্রেষ্ঠ জীবন।

856>শ্রীমান শ্রীমতি শঙ্কর ও প্রণতি

 856>শ্রীমান শ্রীমতি শঙ্কর ও প্রণতি


শ্রীমান শ্রীমতি শঙ্কর ও প্রণতি

সাইত্রিশ বিবাহ বার্ষিকীর পূর্তি।

আনন্দ মুখরিত ক্ষণের সুকীর্তি,

চিরসুন্দর আনন্দিত যুগল মূর্তি।


37 বৎসরের পাঁকা পোক্ত দুটি মন,

উভয়ে সুন্দর একে অপরের কারণ।

এমন জুটি দেখে সকলের গর্ব হয়,

এমন বন্ধন দেখে অনেক উপলব্ধি হয়।


সত্যি ভাবতে ভালো লাগে 

আজও এমন প্রেমের বন্ধন আছে।

এমন সুখী বিবাহ বন্ধন এখনো বিদ্যমান,

একে অপরের পরিপূরক আয়ুষ্মান।


বিবাহ বার্ষিকী শুধু নয় একটি অনুষ্ঠান,

এ হোল এক সার্থক জীবনের মেল- বন্ধনের অনুষ্ঠান।

এক সার্থক খুশি ও আনন্দের অনুষ্ঠান,

অনেক ভালোলাগা মুহূর্তের অনুষ্ঠান।


 বিবাহিত দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন 

অনেক ভালোলাগার সুন্দর জীবন।

দুটি মন একসাথে টিকে থাকার মিলন, 

অনেক প্রতিশ্রুতি পূর্ণ আনন্দপূর্ণ

জীবন।


37 বৎসরের স্মৃতিতে তৈরী প্রেমের মন্দির

শুধু দুটি মনের নয় মিলন দুটি পরিবারের।

তাই তো বিবাহ বার্ষিকী এক আনন্দ কানন 

অনেক সুখ দুঃখ ও ভালোলাগার ক্ষণ।


ববিবাহিত জীবন এক সম্মানের বন্ধন

যুগল প্রেম টিকেথাকে সম্মানের কারণ।

স্বামী স্ত্রীর প্রেম স্বর্গীয় সুন্দর জীবন

একের মান বারে অন্যের সম্মানের কারন।


জীবন অনেক শিখেছে আপনাদের দেখে

সুন্দরকে খুঁজে নিতে হয় প্রকৃতির সাথে।

স্বার্থক সুন্দর আপনাদের দ্যম্পত্য জীবন

বোধহয় এমনি হয় বুঝি আনন্দ নিকেতন।


সর্বস্তরে সুন্দর স্বার্থক হোক আপনাদের দাম্পত্য জীবন।

ঈশ্বর নিশ্চই দেবেন আপনাদের দীর্ঘ জীবন।

সকলেই মুগ্ধ আনন্দিত আপনাদের দেখে,

স্বার্থক এমন যুগলবন্ধি জীবন।

<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================




37 টি বসন্ত পারের সৌজন্যে -


 37 বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে -------


শ্রীমান শ্রীমতি শঙ্কর প্রণতি---

37 টি বৎসর অর্থাৎ

37 টি বসন্ত =444 টি মাস,

=13505 টি দিন,

=324,120 টি ঘন্টা, 

=19,447,200 টি মিনিট, 

=1,166,832,000 টি সেকেন্ড, 

কম তো নয় ? 

কাটালেন কেমন ? 

ভাবলেন না হয় একটু 

দোষ তাতে কি হবে,

একটু ভাবলে????

--------------

আজ কেমন আসছেন আপনি?

মনে পরে কি সেই রজনী!

জীবনের প্রথম, 

সেই সুন্দর মধুর অপার্থিব মিলন। 

সেই দিন টি নিশ্চই 

আজও আছে স্বরণ। 

সেই অটুট বন্ধনের--

অঙ্গীকারের অপূর্ব মিলন। 

আজ মনে হয়নাকি--

একবার ফিরে যেতে সেই দিনটিতে!

মনে আছে কি সেই অপূর্ব সেদিনটি!

প্রকৃতিও যেন সেজে ছিল, 

তাঁর অপূর্ব রূপে রসে গন্ধে, 

সেদিনের সেই প্রথম প্রেমের সন্ধে। 

কত দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কি জানি , 

মধুর মিলনের প্রথম সেই রজনী। 

মনে পরে কি? 

মনমুগ্ধ করা নানা পুষ্প ঘ্রাণে,

প্রকৃতিও যেন মেতে ছিল সেদিন 

সেই নিবিড় রাত্রির ক্ষণে!

প্রকৃতির একান্ত আপন গোপন ছলে,

দুটি মন প্রাণের একান্ত গভীর মিলনে,

ভরে ছিল বোধ হয় মন প্রাণ,

সেই রজনীর একান্ত নিবিড় ক্ষণে।


আজ 37 টি বসন্ত হলো পার, 

তাই হয়তো মনে পরে বার বার। 

সেদিনের সেই মিলন অপূর্ব অপার, 

বর্ণাতীত দেহ গন্ধ মিলনে, 

ফুলের রেণু মেখে দুটি শরীরে,

মনে পরেকি আজ আবার !


দূরে রেখে সকল লজ্জা ভয়, 

নিঃশেষ করে সকল যুক্তি, 

মন খুঁজে পেয়ে ছিল পূর্ণ মুক্তি। 

বর্ণাতীত সেদিনের সেই স্পন্দন, 

ভুলে থাকা কি করে সম্ভব?

সেই হতে বার বার প্রতিটি রাতে, 

নিঃস্বাসের প্রতিটি কম্পন মনে পড়ে কি 

হৃদয়ের সেই প্রবল স্পন্দন। 

কিদারুন অপূর্ব সেই প্রকৃতির লীলা, 

নিবৃত্তি হয় শেষ ভোরের পাখির করলবে। 

মধুর মিলনের সেই নিশি, 

গগণে ছিল বুঝি পূর্ণ শশী। 

জানিনা , যদি থেকে থাকে তবে, 

তাঁর স্নিগ্দ্ধ আলোয় ভেসেছিল কি? 

লেগেছিলো কি,

আবেগের পূর্ন জোয়ার দুটি মনে!

উত্থাল সমুদ্রের উথাল পাথাল করা, 

প্রচন্ড ঢেউয়ের আবেগ পূর্ন মনে, 

নিশ্চয় ভরে ছিলো পরম তৃপ্তির স্বাদ মনে। 

কি দারুন সেই ক্ষণ ,

মনেকি পড়েনা অনুক্ষণ?

ফিরে যেতে চায় নাকি মন,

সেদিনের প্রতিক্ষণ!

মুখে লাজ মনে ইচ্ছা 

তবুও মনে মনে সেই ক্ষণের 

গোপন ইচ্ছা। 


লেগেছে মনে নুতন বসন্তের ছোঁয়া,

জীবন ভোলে না তার লীলা,

কে জানে কোথায় কোন বেলা

চলে তাঁর নিত্য নুতন খেলা। 

মন পৌঁছে যায় সেই খেলা ছলে

আমকুড়োনোর দিনে , 

দুপুরে উদাল হয়ে,

ছোটা ছুটি আপন মনে। 


আজ লেগে হওয়া বসন্তের, 

মনে পরে কি সেই দিগন্তের, 

যার ছিলোনা দিগ্ না অন্ত,

এখনো বোধ হয় হয়নি অন্ত। 

আছে অনেক বাকি,

থাকে থাক একটু বাকি,

আজ এখানেই  থামি। 

আপনাদের ভরুক মন ,

আনন্দে করুক চন মন। 

আমি আবার নুতন ভাবনা ভাবি।

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================







Wednesday, December 8, 2021

855> || জয়নগরের মোয়া ||

 


    855> || জয়নগরের মোয়া ||

                     <-----আদ্যনাথ---->

খোঁজ নিলাম জয়নগর ও বাহারু স্টেশনের কাছের সেই দোকান গুলিতে যেখানে তৈরি হয় প্রকৃত আসল জিআই ( জিয়োগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশন) তকমা পাওয়া জয়নগরের মোয়া।

( শিয়ালদহ-- লক্ষিকান্তপুর  লাইনে বাহারু স্টেশনের পরের স্টেশন জয়নগর মজিলপুর হল্ট।)

জানলাম----

জয়নগরের মোয়ার মূল উপাদান

খাঁটি কনকচুড় ধানের খৈ ও জিরেনকাটের নলেন গুড় দিয়েই 

তৈরি হয় খাঁটি জয়নগরের মোয়া।

সেই কনকচুড় ধানের খৈ এখনো বাজারে আসেনি বা এখনো সময় হয়নি। 

আর সকালের বাতাসে এখনো কুয়াশা আছে তাই জিরেনকাটের নলেন গুড়ের রসেরও সময় হয়নি।

সেই কারণে প্রকৃত জয়নগরের মোয়াও

এখনই তৈরি হচ্ছে না , আরো সাতদিন

পরে হয়তো পাওয়া যাবে। প্রকৃত আসল জয়নগরের মোয়া।

তবে বাজারে নকল জয়নগরের মোয়ার ছড়া ছড়ি। যেগুলি নকল খৈ ও নকল গুড়ের এসেন্স দিয়ে তৈরি নকল মোয়া।

তবে একথা সত্য যে আসল ও নকল বুঝতে পারার একমাত্র উপায় আসল মোয়া খেয়ে দেখা।

একবার আসল মোয়া খেলেই বোঝা যাবে নকল মোয়া কতটা ফেক ও বিচ্ছিরি।

তাই বলছি আসল মোয়া খান ও দিনভর এক সুন্দর গন্ধে ও স্বাদে মেতে থাকুন।

       <-----আদ্যনাথ---->

===========================




 আসল জয়নগরের মোয়া।

যে মোয়ার স্বাদে গন্ধে মন মেতে ওঠে।

এমন সুন্দর গন্ধ ও অপরূপ স্বাদ, ভোলা যায়না, মন খেতে চাইবে বার বার।

যে মোয়া মুখে দিলেই যায় গেলে শুধু স্বাদ আর গন্ধই মুখে লেগে থাকে।

এখন বলতে পারেন কেমন স্বাদ।

সেই স্বাদ বুঝতে গেলে মনে করতে হবে প্রথম প্রেমের প্রথম পরশের স্বাদ।

সেই শিহরণ জাগানো স্বাদ,

সাথে কিছু মিষ্টি গন্ধের আশ্বাস।     

            <-----আদ্যনাথ---->

==========================


854> || ভালো থাকার ঠিকানা ||

   854> ||  ভালো থাকার ঠিকানা ||

                  <--আদ্যনাথ-->


বৃদ্ধ বয়সে অসুস্থ শরীরে

করোনার চোখ রাঙানিতে

ভয়ের কিবা আছে?

করোনারুপি অসুরের 

বারবার অস্ত্র বদল,

রণকৌশল এতো রকম ফের,

বাড়িয়ে চলেছে চিন্তার জের,

তবুও ভালোই আছি,

ভয় আর কিসের?

মনচায় অনেক আনন্দে থাকতে

তাইতো ভালো থাকতেই হবে।

আসলে ভালো থাকা, না থাকা 

সকলি মনের ব্যাপার।

মন চাঙ্গা তো শরীরও চাঙ্গা,

আর চাঙ্গা মানেই থাকেনা

কোন দুঃচিন্তা, দুঃভাবনা,

দুঃখবেদনা,

নিজেই খুঁজেনিতে হয় নিজের 

আনন্দের ঠিকানা।

আসলে-------


জীবনতো ক্ষনিকের,

কিন্তু জীবনী সুদীর্ঘ সময়ের।

ভালোবাসার বন্ধন,

সমাজে একে অপরের প্রতি বিশ্বাস।

ঘরে বাইরে প্রেমবন্ধনের বিশ্বাস

    নিজের নিজের আত্মবিশ্বাস।

অনেক মনোমালিন্য, কলহের পরেও

 যে প্রেম টিকে থাকে 

সেইতো প্রকৃত ভালোবাসা।

সকলে ভালো থাকলে

ঘর ও সমাজ সুন্দর হবে।

সুস্থ থেকে একে অপরকে আনন্দ দেবে

প্রাণখোলা হাসিতে রোজ সকালে হবে,

এভাবেই সকলে ভালো থাকবে।                   

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================