Tuesday, August 31, 2021

827>|| সামান্য ভাবনা ||

 


  827>|| সামান্য ভাবনা ||

             <--আদ্যনাথ-->

একলা মনে ভাবনার ছায়া,

বোধহয় কিছু যায় ভাবা।

ভেবেইতো লিখতে হয়,

না-ভাবলে কি লেখা হয়? 

সময় আর পরিস্থিতি ভাবায়,

ঘটনা মনে সাহস যোগায়।

প্রশংসা মনকে উৎসাহ দেয়,

কটাক্ষ বা টিপ্পনী  জেদ বাড়ায়,

কখনো মনেকে সংকল্প করায়।

পরিস্থিতি অনেক কিছু বাধ্য করে,

না-চাইলেও মন কিছু লিখে চলে।

মনের ভাবনা গুলি অনেক ভাবায়,

সব ভাবনা কি লুকিয়ে রাখা যায়!

কিছু ভাবনা বিশেষ শিক্ষা দেয়,

অজান্তে অনেক কিছুই দেখিয়ে দেয়।

সেই কারণেই কিছু লিখতে হয়,

হয়তো নানা জনে নানা কথা কয়।

ভালো লাগে যখন সকলে ভালো বলে,

নুতন করে লেখার ইচ্ছা ও উদ্যম জাগে।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

===========================


8/30, 10:46 PM- Dam Bab-ShankarDam: বলুক না নানা জনে নানা কথা , বলুক না মন্দ লোকে মন্দ কথা ,কি বা এসে যায় ।  গুণী মানুষের কদর যারা কোরবার তারা সারা জীবন ই করবে । আমার মতো কিছু মানুষ আছে এবং থাকবেও যারা আপনার লেখার কদর কোরবেই সারা জীবন । লিখুন লিখুন লিখুন ..................

 8/30, 10:49 PM- Adyanath Roy Choudhuri: আপনার কথা মেনে চলবো

যতদিন মাথাটা কাজ করবে

নিজের মনে লিখে যাব যা আসে মনে।

8/30, 10:53 PM- Dam Babu-ShankarDam: আমাদের মতো পাঠকদের জন্যই আপনার আপনার মাথা অনেক অনেক অনেক দিন কাজ কোরবে নিশ্চিন্তে থাকুন ।

=========================

Sister of Narayan moni das

Sabita----

অসাধারণ লেখনী👌👌👍❤❤

=========================

Sunday, August 29, 2021

826>|| সংখ্যার চিন্তা ||

     


  826>|| সংখ্যার চিন্তা ||

                <---আদ্যনাথ-->

 সংখ্যা অসীম শক্তি ধর,

সংখ্যার মানদন্ডে অঙ্কিত বিশ্ব চরাচর।

বিজ্ঞানের ভাষা,মূল গণিত সাধনায়।

শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা ভোট গণনায়।


সংখ্যা মানে গণনা দ্বারা লব্ধ ধারণা,

সংখ্যা পরিমাপের একটি বিমূর্ত ধারণা । 

সংখ্যা গণনার মূল একক হল 'এক'।

সংখ্যা প্রকাশের প্রতীকগুলি অঙ্ক । 


সংখ্যাই শ্রেষ্ঠ, সংখ্যাই বলিষ্ঠ,

সংখ্যাই সর্বদা সর্বপ্রকার উৎকৃষ্ট।

সংখ্যায় বাড়ন্তই শক্তিমান শ্রেষ্ঠ,

সংখ্যার গুনেই দলেভারী বলিষ্ঠ।


ভোটের সংখ্যায় গরিষ্ঠ হন জিনি,

দেশ ও দশের শ্রেষ্ঠ হন তিন।

তথায় সংখ্যায় লঘিষ্ঠ হন যিনি,

লজ্জায় নিজের মুখ ঢাকেন তিনি।


এহেন সংখ্যার খেলাটাই অপূর্ব,

শুরু সেই প্রায় ৩৫০০ বছর খ্রিস্টপূর্ব।

সেদিন ছিল হায়ারোগ্লিফিক্স চিহ্ন,

আর তখনই শুরু লিখিত চিহ্নে।

সংখ্যা পদ্ধতির মাধ্যমে গণনা,

শুরু হয়েছিল সর্বপ্রথম গণনা।


হায়ারোগ্লিফিক্স অর্থাৎ পবিত্র লিপি,

প্রায় ৫০০ খ্রিস্টাব্দ ভারতবর্ষের লিপি।

ভারত আর আরবে  হয়েছিল শুরু

ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির শুরু।


আর্যভট্ট,প্রাচীন ভারতের গণিতবিদ,

শিখিয়েছেন বিশ্বকে '0' শূন্যর গণিত।

সংখ্যা (0) শূন্য  নিজেই সংখ্যা একটি, 

আবার কখনো '0' নিজেই  অঙ্ক এটি।


যে '0' র মান এককভাবে অস্তিত্বহীনতা,

সেই কিন্তু অন্যান্য সংখ্যার পিছনে বসে 

প্রদান করে তাদের যুত পরিচয়তা।

আবার  দশমিকের ডাইনে বসে, 

সংখ্যার দশমাংশ প্রকাশ করে। 


অঙ্ক হিসেবে '0' একটি নিরপেক্ষ অঙ্ক,

আবার সংখ্যার স্থানধারকের সাক্ষ্য।

অঙ্ক '0' অঙ্কর জগতে শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার,

শূন্যের সম্যকজ্ঞান বিনা জগৎ অন্ধকার।


'0'নিজে একটি স্বাভাবিক পূর্ণ সংখ্যা, 

শূন্যের নাই কোনও ঘাত, মান, সংখ্যা।

সেই হেতু শূন্য ধনাত্মক অথবা

ঋণাত্মক কোনটিই নয়। 

'0' কে সাহায্যকারী অঙ্ক বলা হয়। 


ভারতের শুন্য কে আরবীতে বলে সিফর,

-ল্যাটিনে জেপিরো,আর ইংরেজিতে তাকেই বলে জিরো, '0'।

সংখ্যাটি অঙ্কের জাদুকর 'শূন্য'।


সভ্য জগতে সংখ্যার অসীম গুরুত্ব,

সমগ্র বিশ্বে সংখ্যার মহাত্য অতি শ্রেষ্ঠ।

সংখ্যা গরিষ্ঠ,আর লঘিষ্ঠের খেলা সর্বত্র,

গরিষ্ঠের  অধিকার সদা সর্বস্তরে সর্বত্র।   


সংখ্যা চিরকাল একলাই শক্তি ধর,

সকলেরই জানা আছে সংখ্যার কদর।

বিশ্ব মাঝে সংখ্যার গুরুত্ব অসীম অপার,

শ্রেষ্ঠত্বের বিচার হয় সংখ্যায় বিচার।


রাজনীতি অর্থনীতি যুদ্ধনীতি দুর্নীতি

সর্বত্রই সংখ্যার গুরুত্ব ও মহত্ত্ব অতি।

সংখ্যার প্রভাবেই বর্তমান রাজনীতি,

সংখ্যা চিন্তা ব্যতিরেকে অচল পৃথিবী।


<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

       29/08/2021;; 11:50:00 am

===========================

এই লেখাটা ঠিক ঠাক হয়েছে কি  না

সেটা নিশ্চই জানাতে ভুলবেন না।

যদিও আপনি আমার সকল লেখারই

জবাব দিয়ে থাকেন।

 তথাপি এমন লেখার কারন,

এক প্রকৃত শিক্ষকের মতামত আমার কাছে ঈশ্বরের আশীর্বাদের সমান।

=========================

[8/29, 1:51 PM] Tata ChotoBowdi: Humm lekhata thik thaak r bhalo hoeache👌

[8/29, 1:52 PM] Tata ChotoBowdi: 🤔onek kichu janlam

==========================

শংকর দা বললেন-----

 "সংখ্যার চিন্তা " আমাকে রীতিমত চিন্তায় ফেলে দিয়েছে । আপনি এতো তথ্য সংগ্রহ করেন কিভাবে ? অসাধারণ অসাধারণ একটা লেখনী ।👏👏👏


===========================



Saturday, August 28, 2021

825>|| দাম্পত্যসম্পর্ক ||

 


    825>|| দাম্পত্যসম্পর্ক ||

              <---আদ্যনাথ--->


ভালোবাসার আনন্দ রাখতে ধরে,

সম্পর্ক লালন করতে হয় আদর করে।

সম্পর্কের রসায়নটা বড়ই মধুর,

ফোড়ন দেওয়াটা যেন হয় সুন্দর।


সম্পর্ক বজায় রাখার জন্যই নিশ্চয়,

সর্বদা নিজেকে ভাল রাখতে হয়।

কেউ ভাল থাকব নিজের মতন,

অন্য কেউ কেন পারবে তার মতন।



নিজ দায়িত্বে নিজে ভাল থাকতে হয়,

সর্বদা নিজেকেই সামলে রাখতে হয়।

ভাল থাকতে কারুর ভরসা করা উচিত নয়।

দাম্পত্যসম্পর্ক তাহলেই মধুর হয়।


দাম্পত্য জীবনে একে অপরের সম্পর্কে থাকতে হয়।

সহিষ্ণু হয়ে একে অন্যকে বুঝতে হয় ।

হতেই পারে নানান মতান্তর,

সহিষ্ণুতা বজায় রাখতে হবে নিরন্তর।


কথা কাটা কাটি হতেই পারে,

কিন্তু নিজেদেরই সমাধান করতে হবে।

একে অপরকে ভালোবসতে হবে নিঃস্বর্থে।

দুটি মন মিলে সুন্দর ঘর বাঁধবার স্বার্থে।


বিয়েতেই সম্পর্কের পূর্ন পরিনতি নয়,

এমন ধারণাকে নিশ্চই বুঝতে হয়।

হতেপারে ভালোবাসা স্বতঃস্ফূর্ত,

নিবিড় আদরে রাখতে হয় সম্পর্ক।


সম্পর্ককে করলে অযত্ন অবহেলা,

পরিণতি ভুগতে সময় লাগেনা।

বিবাহ অর্থাৎ শুরু নুতন পথে চলা,

দুটি মনের ভাবনা আদরে ভাগ করে চলা।


দাম্পত্য জীবনে বুঝতে হবে একে অন্যকে,

নিবিড় ভালোবাসাতেই সমাধান থাকে।

অনুভব করতে হবে একে অন্যের চাহিদা,

মনের চিন্তায় দুজনেই কেউ নয় আলাদা।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

===========================

কিছু ভুল থাকলে জানাবেন।

কিছু সংশোধন করার থাকলে করে দেবেন।

=======================


[8/28, 3:59 PM]-ShankarDam: সত্যিই দাম্পত্য জীবনে চিন্তায় মননে কেউ নয় আলাদা । ডিভোর্সীদের ক্ষেত্রে অবশ্য কেউ নয় আলাদা বলা যাবেনা ।

[8/28, 4:01 PM]-ShankarDam: লেখাটা দারুন দারুন মর্মষ্পর্শী হয়েছে । আপনার নতুন নতুন বিষয় নিয়ে লেখা গুলো পড়ে সত্যিই মনটা ভরে যায় । 👏👏👏👏

আমি বললাম---

ডিভোর্সী দের বিষয় টি সম্পুর্ন আলাদা।

আসলে ভালোবাসা যখন খোঁজে  নিজের স্বার্থ তখনই 

শুরু দাম্পত্য কলহ।

===========================

ছোট গিন্নি বললেন--

Na kichu bhul nei.lekhata bashtob hoeache.bhalo laglo.👌👌

===========================

Friday, August 27, 2021

824>|| ভুলের অভিজ্ঞতা ||

 


 824>|| ভুলের অভিজ্ঞতা ||


সকল অশুভ শক্তির হোক সমাপ্তি।

আজ আমরা সকলেই চাইছি সকল অশুভ শক্তির বিনাশ করে একটা শান্তিপূর্ণ সমাজে বাস করতে। কিন্তু আমরা একটু ভাবলেই বুঝতে পারব এই অশুভ শক্তি ঠিক কি এবং কি করে

এর সৃষ্টি হয়।

আর তার পরেই ভাবতে হবে কি করে 

একে ধ্বংস করা যাবে?


 আসলে সকল অশুভ শক্তি, না তো কোন গুণ আর না তো কোন কাজ, এটা আমাদেরই অজ্ঞানতার একটা পরিণাম।


কোন ভুল বা মিথ্যা কে বার বার করে বলা হলে সেই মিথ্যাই সত্য রূপে বিবেচিত হয়ে ওঠে।

উদাহরণে বলা যেতে পারে রামায়নে 

 রাজা দশরথের স্ত্রী রাণী কৈকেয়ীর পিত্রালয় থেকে আগত কুব্জা দাসী 

মন্থরার বার বার  কু পরামর্শে কারণেই ঘটেছিল রামচন্দ্রের বনবাস।

আর এখান থেকেই সৃষ্টি রামায়ন।


ঠিক যেমন একটি ভুল চিন্তা বা ব্যবস্থাকে

অনেক বেশি সংখ্যক মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারলেই সেই ভুল চিন্তাই 

কখনো সম্পুর্ন কখনো আংশিক সত্য হয়ে পড়ে।

সত্য ভুল বা ঠিক সেটি নির্ভর করে 

মেনে নেওয়া মানুষের সংখ্যার উপরে বা রাজার শক্তির জোরের প্রভাবে।


আর এভাবেই অনেক প্রকৃত সত্যকে ভুল বিচার করে প্রকৃত সত্যের প্রচারককে মৃত্যু দন্ড দেওয়া হয়েছে।

আবার বহু সংখ্যক ভুল নীতি বা চিন্তা কে 

জোর করে মানিয়ে নিতে বাধ্য করে ই

কতো রাজা রাজত্ব চালিয়ে গেছেন।


আবার আমরা জেনে শুনে নিজেদের সাময়িক স্বার্থে বা নিতান্ত অবহেলার কারনে কোন প্রকার ভাবনা চিন্তা না করে

এই প্রকৃতিকে ধ্বংস  করে চলেছি নিত্য।

প্রতি নিয়ত বনাঞ্চল ধ্বংস, ইচ্ছা মতন কারণে অকারণে বৃক্ষ কেটে প্রকৃতির ভার সাম্যকে নষ্ঠ করে চলেছি।

দূষণ ছড়িয়ে দিতে একটুও চিন্তা করি না।

যেখানে সেখানে সিগারেট খাই।

পান জর্দা খৈনি তামাকের থুতু ফেলি।

আজ পর্যন্ত প্লাস্টিকের  এমন অবারিত ব্যবহারও বন্ধ করা যায়নি।

কারণ যুক্তি তর্ক অনেক আছে,

তবুও পরিবেশ দূষণ চলছেই।

তা ছাড়া আজ চারিদিকে এমন  ভয়াবহ অবস্থাতেও নাকে মুখে মাস্ক লাগাতে ভুলে যাই বা অবহেলায় অসাবধানে ঘুরে বেড়াই।

সেই কারণে আমাদের নিতান্ত অজ্ঞতার কারণেই অশুভ শক্তির প্রভাব কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না।

সকল অশুভ শক্তির কারন আমাদের 

অজ্ঞতা।

বার বার আমরা ভুগছি আমাদের 

নানা ভুলের কারণে।

এই ভুল গুলি যদি হয় আমাদের অভিজ্ঞতা তাহলে সেই ভুল গুলি আমাদেরই শুধরাতে হবে।

কিন্তু আমরা শিখব কবে?

শিখব কিভাবে?

এই টুকুই ভাবা উচিত আমাদের।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================

আমি দাম বাবুকে জিজ্ঞাসা করলাম---

জানিনা এই চিন্তার কতটুকু সঠিক ।

[8/27, 8:07 PM] SV2 Dam Babu=SV2-6/6D-ShankarDam: 

উত্তর দিলেন---

আপনার চিন্তা পুরোটাই সঠিক , বিন্দুমাত্র কোথাও ভুল নেই ।

============================


[8/27, 9:05 PM] Tata ChotoBowdi: 👍akdom thik.

Ei dhangser jonno amrai daaee.

Virus amader bhul er karonei,amader ogyanotr karonei sristi hoeache.er theke mukti pete hole amader swacheton howa drkar

[8/27, 9:15 PM] Adyanath Roy Choudhuri: এমন সুন্দর মতামতের জন্য ভীষণ আনন্দ পেলাম।

খুব ভালো লাগলো।

============================




823>|| ভালোবাসার খোঁজে ||

 


  823>|| ভালোবাসার খোঁজে ||

           <--আদ্যনাথ-->


হারিয়ে গেলে পেয়ে যাবে

সকল কিছু খুঁজে।

বিশ্বাস একবার হারালে, 

কখনোই পাওয়া যায়না খুঁজে।


টাকায় সকল কিছু গেলেও কেনা

ভালোবাসা যায়না কেনা।

অণুবীক্ষণ যন্ত্রে সকল গেলেও দেখা

হৃদয় পাবেনা খুঁজে।


দেখলে তো দুরের অনেক কিছু,

গ্যালিলিওর দূরবীন দিয়ে।

কোনো ভালোবাসা পাবেনা খুঁজে

কোন দূরবীন দিয়ে।


কারুর ভালোবাসা পেতে হলে

তার মনের খোঁজা কর আগে,

তাহলে সহজেই পেয়ে যাবে

সকল হৃদয়কে খুঁজে।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

   27/08/2021;;05:30 pm

=====================

ছোট বৌদি জানালেন---

Khuuuuub bhalo.3baar porlam terpor bollam

===================================


[8/27, 6:31 PM] SV2 Dam Babu=SV2-6/6D-ShankarDam: 👍👍👍👏👏👏👏

[8/27, 6:33 PM] Adyanath Roy Choudhuri: প্রসংশা পেলে খুবই ভালো লাগে।

[8/27, 7:11 PM] SV2 Dam Babu=SV2-6/6D-ShankarDam: আপনার লেখা গুলো সত্যিই ভীষণ ভালো লাগে এবং সেটা প্রশংসা পাবারই যোগ্য । এটা জানবেন আমি অপাত্রে কিছু দান করিনি ।

================================



822>|| বাঁচবো আনন্দে ||

 


822>|| বাঁচবো আনন্দে || (অনেক প্রশংসা পেলাম)

            <--আদ্যনাথ-->


বসিআছি পথচেয়ে,

আবার কবে দেখা হবে।

দেখাহবে দুজনে,

মনের আনন্দ কাননে।


খুলবে পথ ঘাট,

সানন্দে চলবে বাজার হাট।

থাকবেনা কোন ভাইরাসের ভয়,

সকল অশুভ শক্তির শেষ হবে নিশ্চয়।


শিশুরা খেলবে উদ্যানে,

বয়ঃবৃদ্ধরা থাকবে কুশলে।

আমাদের আড্ডা চলবে দুই বেলা,

চারিদিকে আনন্দ রইবে খোলা মেলা।


আজ সকলেই মনে প্রানে চাইছেন

সকল অশুভ শক্তির হোক অবসান।

আসলে অশুভ শক্তি নয় কোন শক্তি মান,

এটি আমাদের অজ্ঞানতারই পরিনাম।


সকল অশুভ শক্তির হলে সমাপ্তি,

সমগ্ৰ বিশ্বমানব অনুভব করবে তৃপ্তি।

বিশ্ব প্রকৃতির মাঝেই আছে সেই শক্তি,

ঈশ্বরই দেখাবেন বুঝি শেষ কিস্তি।


অশুভ যাকিছু অজ্ঞতারই  পরিণাম,

অতএব আমাদেরই হতে হবে সাবধান।

আমাদের অজ্ঞতাই সকল অনর্থের মূল,

আমাদেরই শুধরাতে হবে সকল ভুল।


আমাদের শুভ চিন্তার যদি হয় উন্মোচন,

বাঁচবার প্রকৃত  পথ খুঁজে পাব তখন।

আবার বিশ্বপ্রকৃতিতে ফিরবে আনন্দ,

খুঁজে পাবো নুতন করে বাঁচার ছন্দ।

 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

   27 August 2021;; 11:40:20 am

===========================

অনেক প্রশংসা পেলাম।

সাম্য লিখেছে--

Khub Bhalo likhechho 👌🏼

___________________

দাম বাবু -----পাঠিয়েছেন---

👏👏👏👏

=========

ছোট গিন্নি লিখেছেন---

Satti kotha akdom.

Khub bhalo laglo

====================


Wednesday, August 25, 2021

821>|| जीवन सार्थक बनाओ ||

821>|| जीवन सार्थक बनाओ ||

                <--आद्यनाथ-->

दुःख तब और बढ़ जाता है, 

जब आप पुराने विचारों के कारण 

दुखी हो जाते हैं।


यदि आप सोचते हैं कि 

भविष्य कठिन है, तो आप 

व्यर्थ के भयों से घिरे हैं।


अब अच्छा बनने के लिए, 

आपको यह जानना होगा कि 

खुले तौर पर कैसे मुस्कुराना है।


हो सके तो तहेदिलसे मुस्कुराओ

और वास्तविक सुन्दरसे जीओ 

और जीवन सार्थक बनाओ।

<--©--➽-ए एन राय चौधुरी-->

======================


जान पहचान बहुत लोग हैं,

रिश्तेदार या परिचित जन,

कुछ लोग हैं पास, कोई दूर रहते हैं,

सबकोइ अच्छे होंते हैं।

पास या दूर कोई समस्या नहीं है।

समस्या यह है कि कौन दिल से,

और कौन प्यार से याद करते है,

सामान्य ज्ञानसे ही दिशा मिलते हैं।

जो अच्छे हैं उन्हें भुलाया नहीं जा सकता हैं।

       <---आद्यनाथ--->

==========================





Tuesday, August 24, 2021

820>|| পৃথিবী দিবস 22 এপ্রিল || + हिंदी

 


   820>|| পৃথিবী দিবস 22 এপ্রিল ||

                  <------আদ্যনাথ---->  

আজ 22 এপ্রিল পৃথিবী দিবস,

কিন্তু আজ অসুস্থ পৃথিবী।

এই পৃথিবীতেই আমাদের বাস,

তাকে ভাল রাখার দিবস আজ।

আমাদের গ্রহটিকে রক্ষা করার 

দায়িত্ব ও আমাদের।

কিন্তু আজ করোনার কারনে

অসুস্থ পৃথিবী।

আমাদের একটু শুভ চেতনায়

আবার সুস্থ ও সুন্দর হতে পারে 

আমাদের পৃথিবী। ----fb

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

======================


        || पृथिबी दिबस 22 एप्रिल ||

                    <-----आद्यनाथ------>

आज दिन 22 एप्रिल पृथिबी दिबस।

किन्तु करोना भाइरस रूपी शत्रु बराबर

पृथिबी को करते है बीमार।

चारो और मृत्यु एवं शब के ढेर।

आज 22 एप्रिल, 

आओ सब मिलके करते हैं पण,

पुनः करेंगे करोना मुक्त पृथिबी 

और हमारा जीबन।----fb

<--©--➽-ए एन राय चौधुरी-->

========================

Monday, August 23, 2021

819>|| শরদিন্দু ||

 


    819>|| শরদিন্দু ||

               <-----আদ্যনাথ----->

      এই ব্যাকুল মন,

তোমাকেই খোঁজে সর্বক্ষণ।

শয়নে,স্বপ্নে, দিবা জাগরণে,

তোমাকেই খোঁজে মনে প্রাণে।

       হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু,

কোথা গেলে পাব কৃপাসিন্ধু।

জানি তুমি আছো অন্তরতম অন্তরে,

জানিনা কোথায় খুঁজবো তোমারে।

জানা নাই দিশা,করিনি শপথ,

তুমি ছাড়া কে দেখাবে পথ। 

তুমি সকলের অন্তরে শরদিন্দু,

তথাপি তুমি দুর্বোধ্য,দুর্জ্ঞেয়,সিন্ধু।

কিসাধ্য আমার, তোমার বর্ননা করি,

কিসাধ্য আমার তোমার কীর্তন করি।কিসাধ্য আমার তোমারে হৃদয়ে বাঁধি,

কিসাধ্য আমার তোমা হতে দূরে থাকি।

তুমি আরাধ্য, বন্দিত সকল দেব গণের,

তুমি নির্লিপ্ত, সদা তৃপ্ত আনন্দ কাননে।

তুমি আছো সর্বজীবের হৃদয় সিংহাসনে,

তুমি আছো প্রকৃতির প্রিয় পুষ্প কাননে।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

============================



          


818>|| ভবিষৎ ||

 818>|| ভবিষৎ ||

              <----আদ্যনাথ---->

করোনা ভাইরাসের দাপটে,

স্কুল গুলি বুঝি উঠলো লাটে।

চলছে অনলাইন ক্লাস,

বছর শেষে সকলেই পাশ।


করোনার ভয়ঙ্কর বীভৎস প্রভাবে,

ইন্টারনেটের প্রচার প্রসারে,

শিশু,যৌবন, বয়ঃবৃদ্ধ,

ফেসবুক,টুইটারে সকলেই সিদ্ধ।


মনের সকল ইচ্ছা খুঁজে পেতে,

সকলেই ব্যস্ত রকমারি চ্যাটেতে।

চিন্তার বালাই নাই কোন কিছুতে,

পছন্দের ইচ্ছা সহজেখুঁজেনিতে।


সব কিছুই অতি সহজে পাবে,

ফেসবুক,টুইটারের পাতা ফাঁদে।

অপূর্ব সেই সর্বঘটে কাঠালিকলা,

ফেসবুক,টুইটারের ছলা কলা।


আজ অতি জরুরি ইন্টারনেট,

জীবনটাই কেমন যেন রেডিমেট।

সাবধান হতে হবে খুঁজতে সমাধান,

ইন্টারনেটের দৌলতে সকলি মহান।


ইন্টারনেটে সর্বক্ষেত্রে বাড়ছে জ্ঞান,

সকলকেই হতে হবে সাবধান।

অতি অবশ্যই শিশুদের করতে সাবধান,

খুঁজতেই হবে আশু সমাধান।


 কিশলয় মনে যদি ঘটে বিকার,

 শেষের পথ একটাই, হাঁহাকার।

মনেরখে সময় অনুপাতের ব্যবহার,

সাবধানে পথ চলা একান্ত দরকার।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================


817>|| ফে-বু-র ফাঁদে ||

 817>|| ফে-বু-র ফাঁদে ||

             <----আদ্যনাথ---->


ফেসবুক ও টুইটারের দৌলতে

সকলকেই পাই দৃষ্টির কাছেতে।

মোবাইল গ্যালারির পটে অথবা  

ফেসবুক,টুইটারের কেরামতিতে।


আছে কাছে,দূরে, আপনজন,

চেনা জানা কিছু মানুষ জন।

করোনায় বদ্ধ নিঃসঙ্গ জীবন,

কিছু সময় একাকীত্ব মন যেমন।


মন চাইলেই উকি ঝুঁকি মারে,

কেউ হয়তো একটু কথা বলে।

কখনও একটি দুটি কথা লেখে,

ফেসবুক,টুইটারের পাতা ফাঁদে।


হয়তো ওখানেই কোন পটে,

ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে।

সেই ভালোলাগার মন পেতে,

দিন রাত ফেসবুক,টুইটার ঘাঁটে।


পেয়ে যাই কিছু খুঁজে পেতে,

ফেসবুকের নিত্য নুতন কেরামতিতে।

সেথায় সকল মনের ঠিকানায় বুঝি,

মনেরএকান্ত আদরের ভাগ টুকু খুঁজি।


প্রকৃতির আনন্দ আজ গেছে হারিয়ে,

মোবাইল আর ডিজিটালে জড়িয়ে।

সব হারায়ে জীবন বুঝি কাঁদে,

ফেসবুক আর টুইটারের ফাঁদে।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================


816>|| মুক্ত,শুদ্ধ হও ||

 

   816>|| মুক্ত,শুদ্ধ হও ||

                <-----আদ্যনাথ------>


মধ্যপ্রদেশের ভেটেন্ডার গভীর জঙ্গলে

দেখা হয়েছিল সেই  মহান সাধুর সঙ্গে।

যাঁর সাথে আমার বহুদিনের পূর্ব পরিচয় ছিল।

হিমালয়ের নানা স্থানে ঘুরেছি ওনার সাথে।

 ওনার  ব্যবহারে মুগ্ধ নাহয়ে উপর থাকেনা কারুর, একবার কথা বললেই ওনার প্রেমে পড়তেই হবে। মনেরাখতে হবে চির কাল।

জঙ্গলের সকল জীবই যেন ওনার আদরের পরিচিত বন্ধু।

সকল মানুষ, পশু পাখি এবং কীট, পতঙ্গ সকলেই ওনার আদরের, সকলকেই উনি ভীষণ ভালোবাসেন।

একটি পিপরাও ওনাকে কামরায় না।

জঙ্গলের মশা গুলি আসে পাশে উড়ে বেড়ায় কিন্তু ওনাকে শরীরে হুল বসায় না।

এমন কথা ভাবনার অতীত। কিন্তু আমি ওনার সাথে রাতের পর রাত থেকে দেখেছি।মনে হয়  যেন ভালোবাসার প্রতি মূর্তি।


ভালোবাসার কি অপূর্ব ক্ষমতা,

না দেখলে বিশ্বাস করাই অসম্ভব।

আমি তখন বিলাসপুরে পোস্টিং,

একদিন রতন রাম নামে এক জন বিলাস পুরী ড্রিলার,যার বাড়ি ওই জঙ্গলের সীমানার কাছে। তিনি জানালেন,

পেনড্রা থেকে 30 কিলোমিটার দূরে ভাটিন্ডার গভীর জঙ্গলে এক দন্ডী সাধু বাবা কুটি বেঁধে আছেন নর্মদার তীরে।

আমি অমন কথা শুনে ভাবলাম হয়তো কোন অজানা সাধু হবেন।

মনের জিজ্ঞাসা কে জানতে তৈরি হলাম 

সাধু বাবার সাথে দেখা করতে।

তখন সন্ধ্যা উত্তীর্ণ প্রায়,

আমি পৌঁছলাম সাধুর জীর্ণ প্রায় কুটিরে।

যদিও বহুদিনের পরে দেখা, তবুও দেখা হতেই বুঝলাম ইনি সেই আমার পূর্ব পরিচিত সাধু বাবা। আর উনিও আমাকে ঠিক চিনতে পারলেন।

গভীর জঙ্গলে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতেই   অন্ধকার নেমে আসল।

অন্ধকারের সাথে শীত ও বাড়তে লাগলো।

আমরা দুজনে কুটিরের ভিতরে, দুজনের মাঝে এক যজ্ঞকুন্ড, তাতে  ধিকি ধিকি করে আগুন জ্বলছে।

ওই যজ্ঞের আগুনের কারনে শীত একটু হলেও কম লাগছে।

সাধু বাবা আর আমি নানান কথা আদান প্রদানে ব্যস্ত।

হঠাৎ কুটিরটি বেশ জোরে নড়তে শুরু করল। মনে হচ্ছিল বাইরে থেকে কে যেন ধাক্কা মারছে কুটিরে।

জীর্ণ প্রায় কুটিরে ভীষণ আলোড়ন শুরু হতেই সাধু বাবা বলে উঠলেন ---

" কেয়ারে কুটি  তোরেঙ্গে কেয়া? ইহা মেরা এক জানপহেচান,চেলা আয়া হায়।

কেয়া ইরাদা তেরা। যা যা কিসি পেড়মে 

যা কর পিঠ রগর।"

আকি উকি দিয়ে দেখি এক বিশাল আকৃতির বাঘ । বাঘটি গা ঘসছে সাধুর কুঠিরের বেড়াতে।

সাধুর এমন কথা শুনে, বাঘটি বেড়ার ফাঁক দিয়ে মনে হয় আমাকে একবার দেখে নিয়ে একটু দূরে একটি গাছে পিঠ ঘষতে শুরু করলো। আর দুই পায়ে দাঁড়িয়ে নখ দিয়ে গাছে আঁচড় কেটে চলে গেল।

আমি দম ছেড়ে বাঁচলাম।

সাধু বাবা আমায় বললেন ---/

" নয়া আদমি কে ঘ্রাণ মিলা উসিকো, ইস লিয়ে আয়েথে দেখনে কে লিয়ে। 

কই বাত নেহি, ঘাবরাও মৎ, মেয়নে বোল দিয়া , অভি তুমহারা কই ডর নেহি"।

সেদিন আমি রাতভর ওখানে ছিলাম,

সাধু বাবা রাতভর জোগাসনে বসে ছিলেন, আমি সামনে বসে রাত ভর ঘুমে ঢুলছিলাম।

হয়তো ভোরের দিকে ওখানেই ঘুমে ঢুলে পড়ে বাবার দেওয়া কম্বলেই ঘুমিয়ে পরে ছিলাম।

সকাল হতেই সাধু বাবা আমায় ডেকে তুললেন স্নান করার জন্য।

আমরা দুজনে জঙ্গলের পাকদন্ডী ধরে হাটতে হাটতে নর্মদা নদীর দিকে যাচ্ছিলাম।

হঠাৎ দেখি সামনে এক ঝাঁক ভয়ানক  ভিমরুল। লক্ষ লক্ষ ভিমরুল।

এতো বড় সাইজের ভিমরুল আমি জীবনে কখনো দেখিনি, 

ওর একটি হুলেই আমার ভব লীলা সাঙ্গ হতে পারে।

আমি খানিকটা ভয় পেয়ে একটু থেমে গিয়ে দেখলাম সাধুবাবা যখন ওদের মাঝখান দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন ভিমরুল গুলি ওনাকে যেন পথ ছেড়ে দিয়ে দুভাগে ভাগ হয়ে গিয়ে ওনাকে রাস্তা দিয়ে আবার একসাথে জড়ো হয় উড়তে লাগলো।

সাধু বাবা আমার ব্যাপার টা অনুভব করে ওই ভিমরুল গুলির উদ্দেশ্যে বলেন

" এ বেটা হাট যা ওহ মেরা দোস্ত হাট যা"

ব্যাস এমন কথা বলতেই মনে হলো ভিমরুল গুলি ওনার কথা বুঝতে পারলো এবং সেই আগের মতন দুই ভাগ হয়ে সরে গেল।

আমি ভয়ে ভয়ে এক দৌড়ে ওই জায়গা পাড় হলাম।

আমাকে দেখে সাধু বাবা একটু হাসলেন।

আমি এমন সব ঘটনায় একটু অবাক বিস্ময়ে সাধু বাবাকে জিজ্ঞাসা করলাম।

পশু ও পতঙ্গ দের এমন এমন আচরণের কারন কি?

এ কি কোন গুপ্ত বিদ্যা?

সাধু বাবা সেদিন আমাকে বলেছিলেন -----


 

  " बेटा अगर आप अपना चित्त

     शुद्ध, मुक्त, कर सकते हैं,

     तो सहज मैं सारे जीव 

     आपसे प्यार करेंगे।

     आपके आदेशकी मान्यता देंगे।"


আমি এমন কথা শুনে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কিকরে, কি ভাবে মানুষ 

এমন শুদ্ধ, মুক্ত হতে পারে।

সাধু বাবা বলেছিলেন --------


  "गुस्सा,गौरव,लालच,घृणा, 

   ए सारे दुश्मन जब तक किसी

   आदमी के अंदर रहते हैं,

   तब तक कुछ भी नेही होंगे शुन्दर।

   दुनिया सारे होंगे आपकी दुश्मन।"


সেই ঘটনা মনে পড়তেই আজ লিখলাম

সাধুবাবা নির্দেশের সেই কথা।


       যদি নিজে মুক্ত,শুদ্ধ হও,

       তাবে জীবমাত্রে সকলের মন,

       সহজেই করতে পারবে জয়।

        অহঙ্কার,ক্রোধ,লোভ,ঘৃণা, 

    রুপি শত্রু, থাকলে নিজের ভিতর,

    কেমনে করবে সকলের মন জয়।

             <-----আদ্যনাথ------>

   <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->



        जब होंगे अपना

         चित्त शुद्ध, मुक्त,

   तब सहज मैं सारे जीव जगत 

       करेंगी आपको बिस्वास,

        समझेंगे आपका प्यार,

   मान्यता देंगे आपके आदेशकी।


       गुस्सा,गौरव,लालच,घृणा 

   ए सारे दुश्मन जब तक हैं अंदर,

   तब तक कुछ भी नेही होंगे शुन्दर।

   दुनिया सारे होंगे आपकी दुश्मन।

        <--------आद्यनाथ----->

============================


Thursday, August 19, 2021

815>|| অবুঝ মন ||

 


   815>|| অবুঝ মন ||

            <-----আদ্যনাথ----->fb


          অবুঝ মন,

তোমাকেই খোঁজে সর্বক্ষণ।


জানিনা তুমি আছো কেমন,

অনেক দিন দেখেনি এই মন।

খুঁজে চলে পথে পথে সর্বক্ষণ,

অবুঝ ব্যাকুল দুটি নয়ন।


অনেক ভাবনা বাসা বাঁধে মনে,

জানিনা দেখা পাবো কোন ক্ষণে।

বুঝিনা কেন হারিয়ে গেলে,

কি করে পাবো দেখা কোথায় গেলে।


শূন্যদৃষ্টি আর আকুলতা নিয়ে,

খুঁজে চলি পথ ঘাট গঙ্গার তীরে।

কতদিন দেখিনি তোমায়,

আছি একটি বার  দেখার আশায়।


আশায় আছি আবার সূর্যদয় হবে,

নিশ্চই আবার আমাদের দেখা হবে।

ভুলে গিয়ে মনের সকল গ্লানি,

আজও তোমাকে ভুলতে পারিনি।


কতদিন  তোমায় দেখিনি

বার বার  মনে পড়ে তোমার মুখখানি।

কত দিন তুমি নাই কাছে,

তবু হৃদয়ে তোমার ছবি আঁকা আছে।


সেদিন মন  চাইলেই পেতাম পরশ,

ভুলতে পারিনি একান্ত সেই উষ্ণ পরশ।

তুমি বলেছিলে আবার আসবে,

জানিনা কবে তুমি তোমার কথা রাখবে।


তুমি আসবে কাছে, মিলবো দুজনে,

সেই আশায় বসে আছি দিন গুনে।

ওই দেখো সন্ধ্যা তারারা হাসে মিটি মিটি,

তোমার অপেক্ষায় আজও বসে আছি।


মনে পড়ে সেদিন ছিল পূর্ণিমা রাত,

তুমি বলেছিলে দেখা হবে আবার।

বুঝিনা এ তোমার কেমন ছলনা,

কেন জানিনা তুমি আজও এলেনা।


তোমার ঠোঁটের পরশের উষ্ণতা,

অকৃপণ ঠোঁট মোছেনি সেই আদ্রতা।

জোৎস্না রাতে সেই মিলনের শিহরণ, 

সুখের অনুভব জাগিয়ে রাখে সর্বক্ষণ।


আবার তোমার দেখা পাব বলে,

একলা বসে আছি  নদীর পাড়ে।

জানিনা আবার কবে দেখা হবে,

সুখের অনুভব উষ্ণপরশের লোভে।


মন তো চায় আবার তোমার দেখতে

যদি তুমি আস পূর্ণিমার মধ্য রাতে।

যদি তুমি আস মেঘের জলের সাথে

যদি তুমি আস পাখিদের সাথে।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================

==================46L=======










Monday, August 16, 2021

814>|| जीवन बने अच्छा ||

        

814>|| जीवन बने अच्छा ||

            <-----आद्यनाथ---->


हर कर्ममें श्रेष्ठ बनकर रहो सदा

मनमे नेही रखना नकारात्मक भाबना।

कोशिश रहे सदा जीवन बने अच्छा,

और श्रेष्ठ गुणों का खजाना।


कर्म कभी ऐसा न करें,

शर्म से आपना मुंह छुपाना पड़े।

मनमे ऐसी भाबना कभी नखे,

सबकोइ आपसमें मुख मोड़ले।


आपना नजर से कभी गिरो नही,

ख्याल रखे, झुके न सिर शर्म से कभी।

अटल सत्य और सदाचार रहो,

चेहरे पर हमेशा मुस्कान बनाए रखों।

   <--©--➽-ए एन राय चौधुरी-->

=========================



Friday, August 13, 2021

813>|| হরে মুরারে ||

      813>|| হরে মুরারে ||

           <----আদ্যনাথ--->

            হরে মুরারে::---

শয়নে স্বপনে সদা জাগরণে

 হে কৃষ্ণ, খুঁজে চলি তোমারে।

জানি তুমি আছ আমার হৃদয় জুড়ে,

  তবুও খুঁজে মরি তোমারে।

            হরে মুরারে::-


           হরে মুরারে::--

তোমারে দেখতে চাই প্রকৃতির মাঝে,

হে কৃষ্ণ,ওই মেঘ মুক্ত নীল আকাশে।

জানি তুমিই জগতের "হরে মুরারে"

 জানি তুমিই "হরি " তুমিই "মুরারি"।

           হরে মুরারে::-


           হরে মুরারে::--

তবুও তোমারে খুঁজি সকলের মাঝে,

হে কৃষ্ণ, তুমিই আরাধ্য সন্ধ্যা তারা।

জানি ধরিত্রীর প্রতিটি জীবের অন্তরে,

এক মাত্র তুমিই প্রেমের ঝর্ণা ধরা।

              হরে মুরারে::-


              হরে মুরারে::--

তোমারে খুঁজি হৃদয় মাঝে সকাল সাঁঝে,

 হে কৃষ্ণ, ব্যাকুল নয়নে একলা বসে।

জানি তুমিই পূর্ণিমার চাঁদ মাঝ আকাশে,

তোমারে অনুভব করি সদাই সকাশে।

             হরে মুরারে::-       

  <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

    12 ই আগস্ট 2021::রাত্রি 11:20মি।

============================




Wednesday, August 11, 2021

812> || বাঘ বন্ধির খেলা ||

   812> || বাঘ বন্ধির খেলা ||

                   <--আদ্যনাথ-->

আজ হয়তো কেউ নই খুশি

নিজের অবস্থানে,

সকলের ভাবনা 

অন্যরা বুঝি বেশি খুশি

যারা ওই ওপারে থাকে। 

আসলে সবই বাঘ বন্ধির খেলা।


আমরা কেমন আছি এই বন্ধিদশায়,

বর্তমানের বেঁচে থাকাটাই দায়,

তথাপি সকলের চেষ্টা কি করে বেঁচে থাকা যায়।

বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা যে যার নিজের মতন করে।

আমাদের মাস্ক পরেই বাঁচতে হবে?

কারণ করোনা ভাইরাস বাতাসে ওড়ে।

ওরা বলে আকাশ বাতাস দূষিত,

সূর্যালোক তাও নাকি কলুষিত ।

তবে প্রকৃতিতে এত পশু পাখি  বাঁচে কেমনে?

ওরা তো পরেনা মাস্ক, ভেক্সিন ও নেয় না,

তবে ওরা বাঁচে কেমনে?

আমরা নিজেদের মানুষ বলি,

আসলে বোধয় আমরা কারুর পোষ্য হয়ে গেছি,

ওই মাদারির বাঁদর খেলা তো দেখেছি,

তেমনি ইশারায় বোধহয় আমরা চলি।


আমরা পুঁথি গত বিদ্যায়

নিজেদের পারদর্শী মনে করি,

বই পড়া অবশ্যই ভালো, 

তবে আরও জানা বোধহয় জরুরি।


আমাদের জীবন, জীবিকা সর্বত্র রাজনীতি।

রাজনৈতিক সমর্থন থাকলে তবেই 

আমাদের  বাঁচার অধিকার, নচেৎ নেই,

আজ আমাদের কোন ব্যক্তিপরিচয়ও

বোধ হয় নেই।

পরিচয় বলতে আছে  শুধু পার্টির পরিচয়,

 

আমরা যেন  সেই বিড়াল, যে বিড়াল ইঁদুর ধরে না।

বিনা মূল্যে সব কিছু পেলে কে আর 

কষ্টকরে কাজ করে, তখন উচ্চাকাঙ্ক্ষা   বলতে শুধু ঘুম আর আহারে সীমাবদ্ধ।

এ আমাদের কেমন বেঁচে থাকা।

সত্যিই বোধহয় আজ আমরা মাদারীর হাতের দড়িতে বাধা।

অথবা সার্কাসের বাঘ বন্ধির খেলা।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================


811> ||সে এক রেজা ||

  811> ||সে এক রেজা ||

          <-----আদ্যনাথ----->

দেখেছি ওদের নিজে থেকে,

দেখেছি ওদের একটু কাছে থেকে।

ধৈর্য আর সহিষ্ণুতার পরাকাষ্ঠা।

স্ত্রী জাতীর সহনশীলতা ও নিষ্ঠা।


পেটের জ্বালায় একমুঠো অন্ন চায়।

শেষে না পেয়ে শিশু গুলি কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে যায়।

ওরা দিনআনা দিন খাওয়া ঘরে,

 রান্না হবে মা ফিরলে তবে।


বাপটার কাজ গেছে কিছুদিন আগে,

দুর্বল শরীর যক্ষা রোগে ভুগে ভুগে।

বউটা এখন রেজার কাজ করে, 

আজ শুক্রবার তাই আজ  হপ্তা পাবে।


কিছু খাবার কিনে নিয়ে আসবে ঘরে,

তিনটি শিশুকে রেখে, গেছে কাজে।

ঘর বলতে ঐতো এক ভাঙা কুড়ে,

বৃষ্টি হলেই বসে থাকে প্লাস্টি মুড়ে।


ফুটপাথের ধারে  ট্রাসফমারের নীচে,

পুলিশ ঘর ভেঙে দিয়ে যায় মাঝে মাঝে।  

বউটা রাজ মিস্তিরির সাথে দিন ভর খাটে,

পাঁচ মাসের বাচ্চা ওর পেটে।


খাটতে হয়, ছুটি নাই সাতদিনে,

কষ্ট হয়, তবুও বউটা  খাটে মুখ বুজে।

কালকের কিছু পান্তা ছিল ঘরে,

একটা ছাগল সব টুকু খেয়ে গেছে সাফ করে।


ছোট্ট ছেলেটি কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়েছে,

মেয়ে দুটি বসে আছে মায়ের পথ চেয়ে।

সন্ধ্যায় মা ফিরলে উনুন জ্বলবে,রান্না হবে,

মা,চাল ডাল তরকারি নিয়েই আসবে।


অনেকদিন পরে কাজটা জুটেছে,

তাও মুন্সিকে অর্ধেক বখড়া দিতে হয়েছে।

ফেরার পথে চাল ডাল নিয়েই ফিরছে,

এমনি করেই ওদের কষ্টে দিন চলছে।


একদিন খোঁজ নিয়ে জানলাম।

বউটি দশ ক্লাস পাস,ভালোবেসে বিয়ে করে পালিয়ে এসেছে ঝাড়খণ্ডে।

হঠাৎ ওর স্বামী যক্ষায় ভুগছে।


সেদিন সন্ধ্যায় আমি আর ইব্রাহিম,

বোস বাবুকে ধরে ওনার কারখানায় বউটিকে কাজে লাগিয়ে দিলাম।

ছেলেটিকে লাগিয়ে দিলাম দারোয়ানের কাজে।


ওরা কাজ পেল থাকার মতন ঘর পেল,

বোস বাবু ছেলেটির চিকিৎসা করাল।

এখন বাচ্ছা গুলি স্কুলে ভর্তি হয়েছে,

 সকলের অনেক পরিবর্তন হয়েছে।


ছেলেটি আজ কাল আর মদ খায় না,

রেজা টি এখন গুছিয়ে সংসার করছে।

বড় মেয়েটি পড়াশুনায় খুবই ভালো,

বোস বাবুর স্ত্রীই সকল জানালো।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================


810>|| পাঠশালার প্রথম পাঠ ||

 810>|| পাঠশালার প্রথম পাঠ ||

                <----আদ্যনাথ----->

মনে পড়ে প্রথম দিনের পাঠশালায়

যাবার কথা--

হাতে থাকতো একটি পাটের বস্থা,

পাঠশালায় বসবার জন্য।

আর একটা কাপড়ের ব্যাগ,

তাতে থাকতো একটি

কালো টিনের স্লেট,চক খড়ি, 

ধারাপাত বই,আর থাকত 

পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 

বাংলার শিক্ষাজগতে সেই 

যুগান্তকারী পুস্তিকা বর্ণপরিচয়

প্রথম ভাগ।

পন্ডিত মশাই খালি গায়ে ধুতি পরে।

হাতে লাঠি, মাথার পেছনে লম্বা টিকি,

এক মোটা পৈতা গলায়, তাতে আবার একটি চাবি বাঁধা। 

আমরা এক দুই পড়তাম সকলকে এক সাথে সুর করে।

জোরে জোরে চিৎ-কার করে।

আজ পাঠশালা ও আর নাই,

পন্ডিত মশাই ও আর নাই।

আর সেই সুর করে সকলে এক সাথে

এক দুই আর নামতা পড়াও নাই।

আজ কেউ পড়া মুখস্ত করেনা

শুধু মেমোরিতে সেভ করে।

কেউ আর কাগজ কলমে লেখে না,

পটাপট আঙ্গুল চালিয়ে ট্যাবে টাইপ করে।

চিন্তা করার চেষ্টাও করেনা 

মাউস দিয়ে ক্লিক করলেই সব পেয়ে যাবে।


তাইতো লিখলাম প্রথম পাঠ,

যা আজও মনে গেঁথে আছে সেদিনের

সেই পাঠ।

সেদিনের সেই সুর করে এক দুই পড়া,

আর সেই  একসাথে সুর করে নামতা মুখস্ত করা।


এক -এ চন্দ্র:://-দুই –এ পক্ষ::-//-তিন-এ নেত্র::---//চার –এ বেদ;:--//পাঁচ-এ পঞ্চবাণ::--//ছয়-এ ঋতু ::---//সাত-এ সমুদ্র::---//আট-এ অষ্ট বসু::---//নয়-এ নবগ্রহ::----//দশ-এ দিক::-।



(এক -এ চন্দ্র ::--একটি চাঁদ।

দুই –এ পক্ষ::-- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা।

তিন-এ নেত্র ::--শিব ঠাকুরের তিনটি চোখ, কপালে একটি।

চার –এ চতুর্বেদ ::--ঋক্‌, যজুঃ, সাম ও অর্থব-এই চারি বেদ।

পাঁচ-এ পঞ্চবাণ::--মদন দেবতার পঞ্চবাণ বা পাঁচটি পুষ্পগন্ধী যথা ---

অশোক,শ্বেতপদ্ম, নীলপদ্ম, মল্লিকা ও আম্রমঞ্জরী।


ছয়-এ ঋতু ::---গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত।


সাত-এ সমুদ্র -:;-সাত সমুদ্র


উত্তর মহাসাগর,-- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর,--দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর

--ভারত মহাসাগর

--উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর---দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর---দক্ষিণ মহাসাগর


(Arctic, Antarctic, North Pacific, South Pacific, North Atlantic, South Atlantic, and Indian Oceans)


আট-এ অষ্ট বসু ::--দক্ষরাজের কন্যার নাম “বসু” ।

এই বসুর গর্ভজাত আটপুত্রকে বলা হয় অষ্টবসু।

তাঁরাহলেন-ধর,ধ্রুব,সোম,অহ,অনিল,

অনল,প্রত্যূষ ও প্রভাস। 

আর এই সেই “প্রভাস” যিঁনি ব্রহ্মর্ষি বশিষ্ঠের অভিশাপে মাতা গঙ্গার পুত্ররূপে “দেবব্রত” হয়ে ধরণীতে জন্মগ্রহণ করে পিতামহ “ভীষ্ম” নামে অভিহিত হয়েছিলেন। 

একমাত্র তিনিই বেঁচে ছিলেন, আর পুর্বের সাত জনকে জন্মের পরপরই গঙ্গায় ফেলে হত্যা করা হয় ।


নয়-এ নবগ্রহ:--বুধ, শুক্র, পৃথিবী,মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন, প্লুটো.


দশ-এ দিক::- পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ, অগ্নি, বায়ু, ঈশান, নৈঋত, উর্দ্ধ ও অধ:)

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=======================


 


Tuesday, August 10, 2021

809>|| বাঁচার আনন্দ, ||

      809>|| বাঁচার আনন্দ,  ||

               <----আদ্যনাথ--->


এই জগৎ প্রকৃতি চিরন্তন,

মানুষ নিতান্ত অসহায় নশ্বর।

তথাপি  মানুষে মানুষে,এতো হানাহানি, 

এতো মারামারি নিজ অহঙ্কার ও স্বর্থে।


"সকলের তরে সকলে আমরা

প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।"

ভুলে গেছি এমন সুন্দর নির্দেশ,

আমাদের লোভের নাই শেষ।


কেবল নিজ স্বার্থেই আমাদের জীবন নয়,

পারম্পারিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতাই

মানব জাতির সমাজ বন্ধন।

এ-পথেই পাওয়া যায় বাঁচার আনন্দ,

সার্থক হয় জীবনের সার্থকতার বন্ধন।


শুধু নিজের জন্য বাঁচার চাইতে

ফুল হয়ে সুগন্ধ ছড়ানোই শ্রেয়।

কেবল নিজের জন্য বাঁচায়, আনন্দ নেই,

সকলের সাথে বাঁচার সুখের অন্ত নেই।


<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

===========================



Friday, August 6, 2021

808>|| ফুলের সাজ ||

 808>|| ফুলের সাজ ||

    <------আদ্যনাথ------>


ফুল ফুটল যে বাগানে,

আনন্দ ধরেনা সেই মালির মনে।

ভরা শ্রাবণে পূর্ন যৌবনে,

বিকশিত  প্রেমের কাননে।


ফুলের ভালোবাসার মেলা

অপূর্ব তার রঙের খেলা।

ভালোবাসার কাজল চোখে,

বার বার দেখি তোমাকে।


বার বার দেখি মনের বিশ্বাস

তবুও মেটেনা মনের আশ।

শুন্য হৃদয় পূর্ন আজ,

এমন রঙিন ফুলের সাজ।

 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================


807>>দেহ রথ-----


  807>>দেহ রথ-----

         <--আদ্যনাথ-->


আমাদের শরীর ও জগন্নাথ দেবের রথ

 যেন একই সূত্রে গাঁথা।

রথযাত্রা আসলে সফর/পথচলা। 

ব্রক্ষ্মের সঙ্গে মিলনের বাহন রথ। 


প্রভু জগন্নাথ দেবের রথ

সত্যই মানব দেহের প্রতিরূপ।

প্রভুর রথে আছে কাঠ 206 টি,

মানব দেহে আছে হাড় 206 টি ।

রথের 16 টি চাকা/চক্র এ যেন

মানব দেহের পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয়,

পঞ্চ কর্মেন্দ্রিয় সহ ষড় রিপুর প্রতীক।

সারথি দারুক যেন আমাদের বুদ্ধি

আর  সেথায় রথী প্রভু জগন্নাথ 

 আমাদের আত্মা।


আত্মা শরীর নামক রথের রথী,

সেথায় সারথি বুদ্ধি। 

মন রুপি লাগাম আর 

পঞ্চেন্দ্রিয় রুপি ঘোড়া।

মন, বুদ্ধি স্থির থাকলে 

শরীর রথ নিবাত-নিষ্কম্প।

তখন সাফল্য নিশ্চিত করায়ত্ত।


কিন্তু মন-বুদ্ধি-হৃদয়,

যদি বিপথগামী হয়,

শরীর নামক রথও তখন,

নিশ্চিত বেসামাল হয়।


রথের অশ্ব বিশৃঙ্খল হলে,

সারথি বা রথীর অতিশয়

প্রাণসংশয়ের সম্ভাবনা বাড়ে।

রথী জীবাত্মা, সারথি পরমাত্মা।

ঘোড়ারাদের ক্ষ্যাপামিতে,

সারথি হন বেসামাল

রথ নিশ্চিৎ হয় ভারসাম্য হীন।

তখন সঠিকপথে রথ চলা হয় কঠিন।


শরীর রথের ভিতরে, 

সমাসীন জীবাত্মা হৃদয়ে।

মন-বুদ্ধি তাকে পথ দেখিয়ে 

নির্দিষ্ট লক্ষে পরমাত্মার সঙ্গে মিলিয়ে দেবে। 


তারপরে উল্টো রথের যাত্রা শেষে, 

প্রভু জগন্নাথ রথ থেকে নেবে গেলে,

রথের সেই কাঠ আগুনে পোড়ে।


যেমন দেহ থেকে আত্মা চলে গেলে, 

   শরীরকে আগুনে দাহ করে।


কঠ উপনিষদেই পাই,

জীবের দেহ রথ, জীবাত্মা রথী,

মন হচ্ছে রথের রশি আর বুদ্ধি সারথি।


অর্থাৎ আমাদের শরীর রথে 

অবস্থিত আত্মাই রথের রথী, 

সেই আত্মাকে নির্গুণ স্তরে পৌঁছাতে সারথি বুদ্ধি, রশি মনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে দশ ইন্দ্রিয় এবং ষড় রিপু গুলোকে।

তারপরে আত্মা দেহ ত্যাগ করলে, শরীরকে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মাধ্যমে নষ্ট করাই রীতি।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->


=====================


806>|| মুখে উচ্চারিত শব্দ ||

    806>|| মুখে উচ্চারিত শব্দ ||

               <-----আদ্যনাথ----->

মানুষ এই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব।

সেই মানুষের দাঁতের বিষের চাইতে 

তার মুখে উচ্চারিত শব্দের বিষ হাজার গুণ বেশি বিষাক্ত ও ভয়ঙ্কর।

যেমন---

 মহাভারতে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের অনেক কারনে মধ্যে শ্রেষ্ঠ কারন দ্রৌপদীর 

মুখের কিছু শব্দ বা তিরস্কার।


1>দ্রৌপদীর স্বয়ংবর সভায়  দ্রৌপদী  'কর্নকে' নিচু জাতের নামে অপমান 

করে কর্নকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে করতে  দিলেন না।

কর্নকে প্রতিযোগিতার অংশ গ্রহণ করতে দিলে হয়তো পরিনাম অন্য কিছু হতো।


2>তার পরে একদিন দুর্যোধনকে' অপমানিত করে দ্রৌপদী বলেছিলেন "অন্ধের পুত্র অন্ধ হয়" । 


এমন কথা না বললে হয়তো দ্রৌপদীর

 'বস্ত্রহরণের' চেষ্টা হতো না; 

আর হয়তো পরিস্থিতি পাল্টে গিয়ে 

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধটাই হতো না।


তাইতো কিছু বলবার আগে একটু ভাবতে হয়। বলার পরে ভেবে আর কোনই লাভ হয় না।

 মনে রাখতে হবে বন্দুকের গুলি আর মুখের শব্দ একবার বেরিয়ে গেল আর ফেরান যায় না।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================